প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫, ৩:৫৩ AM

আগামী শিক্ষাবর্ষেও দেশের সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তি লটারির মাধ্যমে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিগগিরই লটারির মাধ্যমে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করবে।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির।
তিনি বলেন, সভায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে সার্বিক বিবেচনায় এবারও লটারির মাধ্যমে স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। বিষয়টি শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে।
এদিকে, দেশের সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি’ প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তিতে পরীক্ষা পুনঃপ্রবর্তনের দাবি জানিয়েছে। গত সোমবার (২৭ অক্টোবর) তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব রেহানা পারভীনের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করেছেন। আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন সমিতির আহ্বায়ক এ কে এম আজাদ ও সদস্যসচিব মো. আব্দুল মূবীন।
আবেদনে বলা হয়েছে, লটারির মাধ্যমে ভর্তির পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকর এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন। অনেক অভিভাবক শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত হওয়ার দায় লটারির ওপর চাপিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের আগে স্কুলে ভর্তির জন্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক ছিল। তবে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে এবং অনিয়ম ঠেকাতে সরকার ২০১১ সালে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারি পদ্ধতি চালু করে। ২০২০ সালে মহামারির সময় এই পদ্ধতিকে বাধ্যতামূলক করা হয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিয়মটি গত কয়েক বছরে কিছুটা শিথিল হয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ