প্রকাশ: বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১৪ পিএম

সংগৃহীত ছবি
ধর্ষণ, ইসলাম ধর্ম ও মুসলিম নারীদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রেডিটে আপত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগে শ্রীশান্ত নামের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২১তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বুধবার (২২ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
শ্রীশান্তের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে রেডিট নিয়ে। এই রেডিট হলো আসলে একটি অনলাইন কমিউনিটি প্ল্যাটফর্ম। ২০০৫ সালের জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রে রেডিট প্রতিষ্ঠা করেন স্টিভ হাফম্যান ও অ্যালেক্সিস ওহানিয়ান। রেডিট ব্যবহারকারীরা সাবরেডিট হিসেবে বিভিন্ন গ্রুপে নানা বিষয় নিয়ে পোস্ট, আলোচনা, ছবি, ভিডিও, লিংক ইত্যাদি প্রকাশ করতে পারেন। তবে, এখানে আলাদাভাবেও নিজেদের পোস্ট শেয়ার করতে পারেন ব্যবহারকারীরা।
ছবি, ভিডিও, লিংক শেয়ার করার সুযোগ থাকলেও রেডিট আসলে টেক্সটভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম। এর ব্যবহারকারীরা নাম প্রকাশ না করেই (ছদ্মনামে) প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে পারেন। সেখানে খোলামেলাভাবে আলোচনা করার সুযোগ দেওয়া হয়। ফেসবুকের মতোই এখানে পছন্দ ও অপছন্দের কথা জানানোর সুযোগ আছে। কোনো পোস্ট ভালো লাগলে ‘আপভোট’ এবং ভালো না লাগলে ‘ডাউনভোট’ দেওয়ার সুযোগও রয়েছে এতে।
২০১৯ সালে জুয়া ও পর্নোগ্রাফির অভিযোগে বাংলাদেশের তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার রেডিটসহ অন্যান্য সাইট বন্ধ করে দেয়। পরে সমালোচনার পর এটি আবার সচল করা হলেও, বাংলাদেশের জনপ্রিয় শীর্ষ ৫০টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মধ্যে রেডিট নেই, জানায় সিমিলিয়ারওয়েব।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ বলেন, “বাংলাদেশে রেডিটের ব্যবহার কম। এক সময় এটি বন্ধও ছিল। তাই দেশে খুব বেশি জনপ্রিয় নয়। তবে, অনেক দেশে এটি এখনো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত সামাজিক মাধ্যম।”
স্বদেশ প্রতিদিন/নিয়াজ