
পটুয়াখালীতে ৩৬ জুলাই যোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯ টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পটুয়াখালী শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুদ উল আলমের সভাপতিত্বে ও ইয়া হাদিয়া সোনামণি’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, প্রশাসন ও অর্থ) মো. অপু সরোয়ার।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক জাকির হোসেন, পটুয়াখালী জুলাই যোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব আবু হানিফ, জুলাই যোদ্ধা মো. সাব্বির, মো. রবিউল খান হিল্লোল, মো. সাগর হোসেন, মো. অহিদুল হক, মনির হোসেন, মো. জামাল হোসেন, আবু বকর সিদ্দিক, আল-আমিন, মো. মুজাহিদুল ইসলাম, মো. জুলহাস হাওলাদার প্রমুখ।
বক্তব্যে জুলাই যোদ্ধারা বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা জুলাই কার্ড পেয়েছি, কিন্তু চিকিৎসা পাইনি। আমরা জুলাই যোদ্ধা পরিচয় দিলে এমন খারাপ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যা ভাষায় ব্যবহার করা যায় না।’
তারা আরো বলেন, ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধা কোঠার মতো চাই না, আমরা চাই আহত জুলাই যোদ্ধা হিসেবে আমাদের যোগ্যতা অনুযায়ী একটি সরকারি চাকরি। আমরা যদি কোনো সনদ না পাই তাহলে আমাদের কোনো গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না।’
অনুষ্ঠানে অন্তত ১৫ জন শহিদ পরিবারের সদস্য এবং ১৩০ জন আহত জুলাই যোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের স্প্রিরিট, আকাঙ্খা গুলো বাস্তবায়িত হলে সুন্দর বৈষম্যহীন একটি বাংলাদেশ আমরা সকলে মিলে গড়ে তুলতে পারবো। আগামীর বাংলাদেশ অনেক সুন্দর হবে আপনাদের নেতৃত্বে, ইয়াং জেনারেশনের নেতৃত্বে- আপনরাই আমাদের চালিকা শক্তি।’
এছাড়া, জুলাই যোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের দাবিকৃত সুচিকিৎসা, আর্থিক সহায়তা, টিউবওয়েল, রাস্তাঘাট সহ বিভিন্ন বিষয়ে সহমত প্রকাশ করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম