প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫, ১:৪৩ পিএম

সংগৃহীত ছবি
এ বছর অক্টোবর এসেছে স্বাভাবিকের চেয়ে ভিন্ন রূপে। ভাদ্র পেরিয়ে আশ্বিন মাসে প্রবেশ করলেও আকাশে মেঘ, হালকা বা মাঝারি বৃষ্টি আর কোথাও কোথাও বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে দিনগুলো কেটে যাচ্ছে। এর মধ্যে কিছু জায়গায় ভ্যাপসা গরমও বিরাজ করছে। তবে শরতের পরিচিত সাদা আকাশ এবং হালকা শীতের আগমন দেখা মিলছে না।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, বাংলা ঋতু অনুযায়ী আশ্বিন ও কার্তিক মাস শরৎকাল, আর তার পরে অগ্রহায়ণ ও পৌষে হেমন্ত আসে। এই সময়েই সাধারণত শীতের প্রথম ছোঁয়া অনুভূত হয়। কিন্তু এবার মৌসুমি বায়ু দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় থাকার কারণে শরতের স্বাভাবিক শুষ্কতা এখনও দেখা যাচ্ছে না। অক্টোবরের প্রথম দুই সপ্তাহে রাতে তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও দিনের সময় তাপমাত্রা এখনও তুলনামূলকভাবে উঁচু থাকবে।
তিনি আরও জানান, ১২ ও ১৩ অক্টোবর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এরপর মৌসুমি বায়ু ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে বিদায় নেবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মমিনুল ইসলাম জানান, অক্টোবরের শেষের দিকে শীতের কোনো সরাসরি আভাস পাওয়া যাবে না। পুরো অক্টোবরজুড়ে ভ্যাপসা গরম থাকবে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি বিদায় নেওয়ার পরই তাপমাত্রা কিছুটা কমবে এবং নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে শীতের ছোঁয়া অনুভূত হতে শুরু করবে।
বর্তমানে যে কুয়াশা দেখা যাচ্ছে, তা শীতের কারণে নয়; এটি মূলত আর্দ্রতা ও আকাশে মেঘ থাকার ফল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলতি বছরের এলনিনো প্রভাবের কারণে মৌসুমি বৃষ্টির ধারা দীর্ঘায়িত হয়েছে। এজন্য শীতও এবার কিছুটা দেরিতে নামবে। সাধারণত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে মৌসুমি বায়ু বিদায় নিতেও এবার দেরি হচ্ছে। ফলে বৃষ্টির প্রবণতাও আরও কিছুদিন থাকবে।