শুক্রবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       ● নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       ● আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      ● সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      ● সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       ● আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      ● লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      ● কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      ● প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ● ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      ● অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ● ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
নদীতে ভেসে আসা গাছের গুঁড়ি বিক্রি হচ্ছে ‘চন্দন কাঠ’ নামে
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:২৬ পিএম

ভারী বৃষ্টি আর উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের নদনদীতে পানি বাড়ছে। এরই মধ্যে রোববার (৫ অক্টোবর) ভোর থেকে ভারতের আসাম রাজ্যের দিক থেকে কালজানি নদী হয়ে ভেসে আসছে হাজার হাজার লালচে রঙের কাঠের গুঁড়ি। কেউ বলছেন চন্দন কাঠ, কেউ বলছেন জ্বালানির জন্য কেনা ‘সোনার খনি’। আর এই নিয়ে শুরু হয়েছে কাঠ ধরার প্রতিযোগিতা!

স্থানীয়দের কেউ কেউ এসব গুঁড়িকে ‘রক্ত চন্দন’ বা ‘শ্বেত চন্দন’ ভেবে নিচ্ছেন, আবার কেউ সরাসরি ব্যবসায় নেমে পড়েছেন। একেকটি কাঠের গুঁড়ির দাম হাঁকা হচ্ছে ২০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। কেউ কেউ বলছেন, ৫০ ফুট লম্বা কাঠের গুঁড়ির দাম ১ লাখ টাকারও বেশি!

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার ভোরে কালজানি নদী হয়ে দুধকুমার ও চিলমারীর ব্রহ্মপুত্র নদে ভেসে আসে এসব কাঠ। মুহূর্তেই খবর ছড়িয়ে পড়ে-নদীতে চন্দন কাঠ! এরপরই মানুষ নৌকা, বাঁশের ভেলা, এমনকি সাঁতরে নামেন কাঠ ধরতে।

নাগেশ্বরী উপজেলার ‎রায়গঞ্জের দামাল গ্রামের আব্দুল মোতালেব (৬০) বলেন, চারজন মিলে ৫০ ফুটের মতো একটা লাল গাছ তুলেছি। এটা দেখতে একদম চন্দন কাঠের মতো। আমরা দাম চেয়েছি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, তবে ১ লাখ ২০ হাজারে দিলে বিক্রি করে দেব।‎

‎এদিকে অনেকে এই কাঠের গুঁড়িগুলো জ্বালানি হিসেবেও কিনছেন। কালজানি নদীর পাড়ের বাসিন্দা আজাদ হোসেন (৫৫) বলেন, আমার খড়ির গোলা আছে। একেকটা গাছের গুঁড়ি ১২ হাজার টাকায় কিনেছি। কেটে বিক্রি করব জ্বালানি কাঠ হিসেবে।‎

‎ছিটমাইলানী গ্রামের সবুজ মিয়া (৬২) বলেন, রোববার রাত থেকে পরিবার নিয়ে প্রায় ৫০০ মণ কাঠ তুলেছি। কিছুটা রাখব রান্নার করার জন্য। আর বাকিটা বিক্রি করব।

জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘এই কাঠগুলো প্রকৃত চন্দন নয়। এগুলো দীর্ঘদিন পানিতে থাকার কারণে লালচে হয়ে গেছে। বেশিরভাগই পচা কাঠ।’

তিনি জানান, ভারতের বনাঞ্চল পরিষ্কার করতে নদীতে ফেলে দেওয়া এসব কাঠ স্রোতের টানে কুড়িগ্রামে ভেসে এসেছে।

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উদ্ভিদবিদ ড. মির্জা নাসির উদ্দিন বলেন, ‘সাধারণ কাঠ পানিতে ভিজে গেলে এর ভেতরের ট্যানিন ও ফেনলিক যৌগ বের হয়ে আসে। অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে তা লালচে রঙ তৈরি করে। এটা একদম স্বাভাবিক রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া।’

তিনি আরও জানান, এই গুঁড়িগুলো চন্দন কাঠ নয়, সাধারণ কাঠই পানিতে ভিজে এমন রঙ ধারণ করেছে।

স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম

আরও সংবাদ   বিষয়:  চন্দন কাঠ   লাল চন্দন  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close