প্রকাশ: সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫, ১:৩০ AM আপডেট: ০৬.১০.২০২৫ ১:৪০ এএম

দেশের সাত জেলায় একদিনে বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন নারী, শিশু, শিক্ষার্থী ও কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
বজ্রপাতে প্রাণহানি হয়েছে কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, ঝিনাইদহ, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, বগুড়া ও নওগাঁ জেলায়।
কুমিল্লা
বিকেলে কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ভবানীপুর খেয়াঘাট এলাকায় বজ্রাঘাতে তিনজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন—নালা দক্ষিণ গ্রামের মমতাজ বেগম (৩৫) ও জাকিয়া (২৫) এবং খোদে দাউদপুর গ্রামের রাশেদ মিয়া (২২)।
নারায়ণগঞ্জ
আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া এলাকায় বজ্রাঘাতে প্রাণ হারায় স্কুলছাত্র ওয়াসিম (১৩)। সে স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র এবং উলুকান্দি এলাকার দিলা মিয়ার ছেলে।
ঝিনাইদহ
সদর উপজেলার আড়মুখী গ্রামে শিমুল বিশ্বাস (২৮) এবং শৈলকূপার শেখড়া গ্রামে হুরমত শেখ (৫৫) বজ্রাঘাতে মারা যান। তারা মাঠে কৃষিকাজ করার সময় বজ্রপাতের শিকার হন।
গাইবান্ধা
সাঘাটা উপজেলার দীঘলকান্দী গ্রামে বজ্রাঘাতে কৃষক আব্দুল আজিজ (৪৫) মারা যান। তিনি মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
কুড়িগ্রাম
নাগেশ্বরী উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতে মারা যান মাদ্রাসা শিক্ষার্থী মোহাম্মদ বাবলু মিয়া (৭) ও সহিব নামে এক ব্যক্তি। বাবলু কালিকাপুর এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। সহিবর বাড়ি উপজেলার চর লুচনি গ্রামে।
বগুড়া
গাবতলী উপজেলার প্রথমাছেও গ্রামে ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রাঘাতে শেফালি বেগম (৪০) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়। তিনি দেলোয়ার প্রামাণিকের স্ত্রী।
নওগাঁ
রাণীনগর উপজেলার কৃষ্ণপুর মাঠে গরু চরাতে গিয়ে বজ্রাঘাতে মারা যান কৃষক তাহের আলী। তিনি কৃষ্ণপুর সরদারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে