
আলোকিত সমাজ নির্মাণে গুণীজনদের পথ অনুসরণ করেই আমাদের এগোতে হবে। গুণীজনদের সম্মানিত করলেই সমাজ সম্মানিত হবে। শিক্ষায় আমরা এগিয়েছি, কিন্তু গুণগত শিক্ষায় পিছিয়ে আছি। শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একসাথে কাজ করতে হবে।
শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ‘মুগসাইর-এগারগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়’ মাঠে আয়োজিত কৃতি শিক্ষার্থী, বিদায়ী শিক্ষক, মরণোত্তর শিক্ষক-কর্মচারী ও সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখা প্রবীণ গুণীজনদের সংবর্ধনা এবং সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ডা. শেখ মো. মজিবুর রহমান এই বক্তব্য তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানটি প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মচারী, অভিভাবক ও সুধীজনদের উপস্থিতিতে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হাজী মো. ইউনুছ মিয়ার সভাপতিত্বে, এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. এমদাদুল হকের সঞ্চালনায়, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউছুফপুর ইউপি চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জাকারিয়া ম্যানেজার, বিশিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রকৌশলী মো. রমিজ উদ্দিন, ফিউচার বিল্ডার্স লিমিটেড-এর পরিচালক মো. সাজেদুল আলম বাদল, চিত্রা ইমপেক্স-এর নির্বাহী পরিচালক মো. এরশাদ আলম মজুমদার এবং নিজা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড-এর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিফাত হোসাইন বাছির।
এসময় গুণিজন সম্মাননা জানানো হয় সাবেক মেম্বার নোয়াব মিয়া, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি আলী হোসেন মাস্টার, সাবেক কর্মচারী মো. জুনাব আলীকে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন।
সকালে মুগসাইর এগার গ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন দাতা সদস্যদের নামে নাম ফলক উদ্বোধন করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে বর্তমান কার্যক্রমের উপর একটি প্রামাণ্য ভিডিও চিত্র প্রদর্শণ, বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ, এবং একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয় সভাপতি মো. ইউনুছ মিয়া বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করতে গিয়ে কখন যে তিন-রাত কেটেছে, টেরই পাইনি। আজকে প্রতিষ্ঠানকে ভালো একটি জায়গায় পৌঁছে দিতে অনেক লড়াই করতে হয়েছে। আশা করছি, ভবিষ্যতে এর সুফল পাবে বিদ্যালয়টি।’
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম