প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:৩৮ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় জালিয়াতির মাধ্যমে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান-১ হাজী মোহাম্মদ লিটন মিয়া।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিটন মিয়া দাবি করেন, তিনি শিবপুর মৌজার বিএস খতিয়ানভুক্ত ৭০৪ দাগে অবস্থিত নওয়াজিস মিয়ার ৫৮ শতক জমি থেকে ২৭ দশমিক ১০ শতক জমি বৈধভাবে সাব-কাবলা দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে আছেন।
তবে ওই একই দাগে চৌহদ্দির দক্ষিণ পাশে থাকা ৫ দশমিক ১৫ শতক জমির মালিক হাজী মোহাম্মদ মোসা মিয়া ও তার সহযোগীরা মিলে ওই জমির নকশা ও দলিল জাল করে তার (লিটনের) ক্রয়কৃত জমি দখলের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
লিটন মিয়ার দাবি, মোসা মিয়া ও তার সহযোগীরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয়ভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। এমনকি জমি নিয়ে ছয়টি মামলা করেছে, যার মধ্যে পাঁচটির রায় আমার পক্ষে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যদি কেউ বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করে প্রমাণ করতে পারে যে, ওই জমির মালিক তারা, তাহলে আমি বিনা দ্বিধায় জমি ছেড়ে দেব।”
অভিযুক্ত হাজী মোহাম্মদ মোসা মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “লিটনের অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি মূল মালিকের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছি এবং আমার অংশটি ওই দাগের দক্ষিণ পাশে। সে আমির হোসেনের কাছ থেকে জমি কিনেছে, যা ওই দাগের উত্তর পাশে। কিন্তু সে জোর করে আমার জমি দখল করে রেখেছে এবং সামাজিক সালিশও মানে না।”
লিটন মিয়া সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে