প্রকাশ: রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৩১ পিএম আপডেট: ২৮.০৯.২০২৫ ৯:৪০ PM

সংগৃহীত ছবি
খাগড়াছড়িতে এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণ ও তার পরবর্তী অবরোধ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনা মোকাবিলায় রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।
সুপ্রদীপ চাকমা সকল পাহাড়ি ও বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “জানমালের ক্ষয়ক্ষতি রোধে প্রশাসনকে কঠোর থাকতে হবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্ক থাকতে হবে। পাহাড়ে শুধু সরকারি বাহিনীর কাছেই অস্ত্র থাকবে; চাঁদাবাজি ও অপ্রীতিকর কর্মকাণ্ড স্থানে উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করছে।”
সভায় জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, সেনাবাহিনীর সদর জোন কমান্ডার লেফট্যানেন্ট কর্নেল মো. খাদেমুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, পাহাড়ি নেতা রবি শংকর তালুকদার, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএন আবছারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতা।
তবে জেলা জুড়ে পরিস্থিতি এখনো থমথমে। সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ টহল জোরদার করেছে। খাগড়াছড়ি পৌরসভা, সদর উপজেলা ও গুইমারা উপজেলায় ১৪৪ ধারা এখনও বহাল রয়েছে।
রোববার বেলা ১১টার দিকে গুইমারার রামছু বাজারে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কয়েকজন অবরোধকারী আহত হন। রামছু বাজারের বেশ কিছু দোকানপাট আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জুম্ম ছাত্র-জনতার ডাকা অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ দ্বিতীয় দিন চলছে। এতে খাগড়াছড়ি জেলায় সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২৩ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি সদরের সিঙ্গিনালায় এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়। মামলা দায়েরের পর সেনাবাহিনীর সহায়তায় সন্দেহভাজন যুবক শয়ন শীলকে আটক করা হয়। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে অবরোধ এবং প্রতিবাদ কর্মসূচি চলছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো