প্রকাশ: রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:১৮ পিএম আপডেট: ২৮.০৯.২০২৫ ৭:৪৬ PM

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ফোনে কথা বললে কল রেকর্ড ফাঁসের ভয়ে ফোন ধরেন না।
রোববার বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধির সঙ্গে নির্বাচনী সংলাপের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ তথ্য নিজেই জানান। সিইসি বলেন, “কল রেকর্ড ফাঁসের ভয়ে ফোন ধরি না। অনেকে বলে সিইসি ফোনে কথা বলে না। সরাসরি এসে কথা বলেন, আপনাদের জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা। দরকার হয় লিখিত প্রস্তাব দেন, কিন্তু টেলিফোনে কথা বলি না।”
নাসির উদ্দিন আরও বলেন, তারা একটি স্বচ্ছ নির্বাচন করতে চান, যাতে সবাই দেখতে পারে। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের স্বাগতম জানানো হবে এবং দেশীয় পর্যবেক্ষকদের যতটা সম্ভব বেশি নিবন্ধন দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। অতীতের মতো পুরো আসনের নির্বাচন বাতিলের ক্ষমতা ফেরত আনা হচ্ছে। সবার সহযোগিতা নিয়ে সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে।
সংলাপে তিনি সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের পাশে চেয়ে বলেন, “মানুষকে নির্বাচনে আসতে বলুন। আমরা সুষ্ঠু, সুন্দর ও স্বচ্ছ নির্বাচন করব। আমাদের দরজা সব সময় খোলা। যেকোনো সময়ে আপনারা আমাদের সুপারিশ দিতে পারেন।”
এই সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অন্য চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আল মাহমুদ হাসানউজ্জামান, সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবীর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতার, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মো. মাহফুজুর রহমান, অধ্যাপক আব্দুল ওয়াজেদ, বিজিএমইএ পরিচালক রশিদ আহমেদ হোসাইনি, কবি মোহন রায়হান, পুলিশ রিফর্ম কমিশনের মোহাম্মদ হারুন চৌধুরী, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি জারিফ রহমান, অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস এবং টিআইবি পরিচালক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ