ডা. আনিস: জনতার আস্থার প্রতীক
মানবিক চিকিৎসক, সমাজসেবক ও সাহসী রাজনীতিবিদ ডা. আনিস
প্রকাশ: শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩:৪৮ পিএম আপডেট: ২৭.০৯.২০২৫ ৩:৫৫ PM

সংগৃহীত ছবি
টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার ও নাগরপুর) আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সমাজসেবক ডা. আনিস। চিকিৎসক হিসেবে মানবিক অবদান, সমাজসেবা ও রাজনৈতিক সাহসিকতার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া ডা. আনিসের বাবা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং মা পরিবার কল্যাণ সহকারী। সিংহরাগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শুরু করে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় মেধাতালিকায় ১০ম স্থান পেয়ে ভর্তি হন রাজশাহী মেডিকেল কলেজে।
২০০৫ সালে এমবিবিএস সম্পন্ন করে চিকিৎসা পেশায় যোগ দেন তিনি। ২০১০ সালে ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০১৬ সালে তিনি চক্ষু বিভাগের সর্বোচ্চ ডিগ্রি এফ.সি.পি.এস অর্জন করেন। বর্তমানে ফার্মগেটের ইস্পাহানী ইসলামিক চক্ষু হাসপাতালের গ্লুকোমা বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি নিজ এলাকায় নিয়মিত বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প পরিচালনা করে অসংখ্য অসহায় মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন “ডা. আনিস আই কেয়ার হাসপাতাল”, যা দ্রুতই সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠে।
ছাত্রজীবন থেকেই নেতৃত্বে এগিয়ে আসেন ডা. আনিস। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদে অর্থ সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ইন্টার্ন অ্যাসোসিয়েশনে যোগ দিয়ে ২০০৯ ও ২০১২ সালে বিএমএ সেন্ট্রাল কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এছাড়া ২০০৯ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কারচুপির বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা নিয়ে আলোচনায় আসেন।
মানবিক চিকিৎসা, সমাজসেবা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ে ডা. আনিস আজ এলাকাবাসীর আস্থার নাম। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় রয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা প্রসার, মানসম্মত শিক্ষা, যুব কর্মসংস্থান, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ।
নিজ বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমার লক্ষ্য নাগরপুর ও দেলদুয়ারকে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় সমৃদ্ধ মডেল এলাকায় রূপান্তর করা।’
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো/শুভ