| শিরোনাম: |

সংগৃহীত ছবি
শনিবার দিনভর পোষ্য কোটা পুনর্বহালকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মধ্যরাতে সিদ্ধান্তটি স্থগিত করে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আজ বিকেল ৩টায় সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করা হয়েছে।
শনিবার বিকেলে জুবেরী ভবনে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দীন মাটিতে পড়ে যান। শিক্ষার্থীরা উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, প্রক্টরসহ কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে কয়েক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। প্রায় সাত ঘণ্টা পর তারা মুক্তি পান।
ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাতেই সংবাদ সম্মেলন করে রবিবার পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ঘোষণা দেন। অফিসার সমিতির সভাপতি মুক্তার হোসেন বলেন, আজ কোনো শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজে অংশ নেবেন না। ক্লাস-পরীক্ষাও হবে না। তবে আমরা ক্যাম্পাসে দৃশ্যমান কোনো কর্মসূচি পালন করছি না। সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে।
শনিবার রাত সোয়া ১১টার দিকে অবরুদ্ধ শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মুক্তির পর কয়েক হাজার শিক্ষার্থী উপাচার্যের বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে স্লোগান দেন। নারী শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নেন।
পরিস্থিতি শান্ত করতে শনিবার রাত ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানানো হয়, পোষ্য কোটা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডাকা হয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো