প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:৫১ পিএম

সংগৃহীত ছবি
দেশের বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, এ নির্বাচনের প্রত্যাশায় দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে অনেক তরুণের প্রাণ ঝরে গেছে, লক্ষাধিক নেতাকর্মীর নামে মামলা হয়েছে এবং গণতন্ত্র রক্ষায় মানুষ নির্বাসিত জীবনযাপন করছে।
আজ শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের উদ্যোগে জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আয়োজিত প্রতীকী যুব সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে এবং দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করেছে। পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা এখন ভারতে বসে আবারও ষড়যন্ত্র করছেন। চোরাগোপ্তা হামলার পরিকল্পনা করছেন। ‘চোরাগোপ্তা ভাবি’ বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছেন। তারা যদি আবার ষড়যন্ত্র করে, নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করে, তাহলে জনগণ আর কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেবে না। সম্মিলিতভাবে আবার তাদের প্রতিহত করবে।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, দেশে নির্বাচনের ঘোষণা এলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দুদু আরও বলেন, ভবিষ্যতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠপুত্র তারেক রহমান জনগণের ওপর নির্ভর করে দেশকে নেতৃত্ব দেবেন। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার মধ্য দিয়েই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।
সাবেক এই সংসদ সদস্য দাবি করেন, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান বহুবার দেশের মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ তা উপেক্ষা করেছে। তারা যদি সুষ্ঠু নির্বাচন দিত, আজ তাদের এ পরিণতি হতো না।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, বিলকিস ইসলাম, প্রিন্সিপাল শাহ মোহাম্মদ নেসারুল হক প্রমুখ। সভার সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এম জাহাঙ্গীর আলম এবং সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব মোফাজ্জল হোসেন হৃদয়।