প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:৫৫ পিএম

সংগৃহীত ছবি
রাষ্ট্রীয় বাজেটের কাটছাঁটের সিদ্ধান্তের কারণে ফ্রান্সে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানী প্যারিসসহ দেশজুড়ে ছোট-বড় শহরে ট্রেড ইউনিয়ন ও বামপন্থি দলগুলোর আহ্বানে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন।
ট্রেড ইউনিয়ন দাবি করেছে, কমপক্ষে ১০ লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সর্বোচ্চ ৫ লাখ মানুষই বিক্ষোভে রয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশের বিভিন্ন শহরে ৮০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
প্যারিস, লিওন ও নানতেসে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাস, লাঠি ও শিল্ড ব্যবহার করেছে। বিক্ষোভের কারণে পরিবহন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে; রাজধানীর অধিকাংশ মেট্রো বন্ধ রয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ৯৮ শতাংশ ওষুধের দোকানও বন্ধ রয়েছে।
স্বাধীন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যারিসসহ বিভিন্ন শহর থেকে ৩ শতাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। বিক্ষোভের মূল কারণ জাতীয় বাজেটে সরকারি খাত থেকে ৪,৪০০ কোটি ডলার ছেঁটে ফেলা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঙ্কোইস বায়রো এই কাটছাঁটের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। বাজেট বরাদ্দে এই কাটছাঁটের কারণে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভাজন দেখা দিয়েছে।
৩৬ বছর বয়সী একজন আইটি কর্মী জানিয়েছেন, তিনি গণপরিষেবা ও সংস্কৃতি খাতে বরাদ্দ কমানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন।
ট্রেড ইউনিয়নের জ্যেষ্ঠ নেত্রী সোফি বিনেট বলছেন, আমাদের লড়াই চলবে এবং সরকারকে ধনীদের পক্ষে নীতি গ্রহণ থেকে বের হতে হবে।
বিদায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রেশিলিও জানিয়েছেন, বাজেটে কোনো পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা নেই। বিক্ষোভকারীরা যদি সড়কে অবস্থান থামায়, গ্রেপ্তারের সংখ্যা কমবে।
তবে বামপন্থি দল এলএফআই সরকারের কঠোর পদক্ষেপকে ভয়াবহ প্রতিক্রিয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি