প্রকাশ: শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:৩৪ AM

সংগৃহীত ছবি
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব বিপুল ভোটে গৃহীত হয়েছে। ইসরাইল প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করলেও জাতিসংঘ কার্যকর রাখার বিষয়ে অনড়। অন্যদিকে, প্রস্তাবের ফলাফলে সন্তোষ জানিয়েছে হামাস।
গতকাল শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে প্রস্তাবের পক্ষে ১৪২টি দেশ সমর্থন জানায়। বিপক্ষে ভোট দেয় মাত্র ১০টি দেশ, যার মধ্যে ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে। ভোটদানে বিরত থাকে আরও ১২টি দেশ। ফ্রান্স ও সৌদি আরব প্রস্তাবটি সাধারণ পরিষদে উত্থাপন করে।
‘নিউইয়র্ক ঘোষণা’ নামে পরিচিত এই প্রস্তাবে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা যেমন নিন্দনীয়, তেমনি গাজায় ইসরাইলের নির্বিচার বোমাবর্ষণ, অবরোধ ও অনাহারও অমানবিক। এতে সৃষ্ট ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় তুলে ধরে তা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের লক্ষ্যে সময়সীমা নির্ধারণ করে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
এর আগের দিনই ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা দেন, ফিলিস্তিন কখনো স্বাধীন রাষ্ট্র হবে না। ভোটের পর ইসরাইলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওরেন মারমোরস্টেইন বলেন, প্রস্তাবে হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ না করাই প্রমাণ করে সাধারণ পরিষদ বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন এক রাজনৈতিক সার্কাসে পরিণত হয়েছে। তবে জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরাইলের প্রত্যাখ্যান উপেক্ষা করেই তারা প্রস্তাবটি কার্যকর রাখবে।
অন্যদিকে হামাস জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা বলছে, এটি দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়, ২২ সেপ্টেম্বর উচ্চপর্যায়ের সাধারণ পরিষদ বৈঠকে কয়েকটি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স