প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:২০ পিএম

সংগৃহীত ছবি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা পরে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বিকেল ৫টার পরও লাইনে থাকা অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন।
এ বিষয়ে কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের জানান, এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৯৯৩ জন। সকাল থেকেই ছাত্ররা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছিল। দুপুর পর্যন্ত দেখা গেছে, কোনো কোনো ছাত্র ভোট দিতে ২০-২৫ মিনিট সময় নিয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা প্রতি ভোটারের জন্য ৮ মিনিট ধরে বুথ সংখ্যা নির্ধারণ করেছিলাম। কিন্তু অনেকেই ৪০ মিনিট পর্যন্ত বুথের ভেতর অবস্থান করেছে। এতে নির্ধারিত সময়সূচি কার্যকর হয়নি।
তিনি আরও বলেন, বিকেল ৫টার মধ্যে লাইনে থাকা শিক্ষার্থীদের ভোট গ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোট চলেছে। তাই নির্ধারিত সময়সূচি ৯টা থেকে ৫টা হলেও দুই ঘণ্টা বাড়াতে হয়েছে।
ভোট কারচুপির অভিযোগ প্রসঙ্গে অধ্যাপক রাজ্জাক বলেন, সকাল থেকে প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। কোনো শিক্ষার্থী বা পোলিং এজেন্টের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আমরা নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। সব প্যানেলের এজেন্টরাই ভোট শেষে পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন। এখানে কারচুপি হওয়ার সুযোগ নেই, ছাত্ররা আছে, মিডিয়া আছে, সিসি ক্যামেরায় সবকিছু রেকর্ড হচ্ছে।
এরই মধ্যে অনিয়ম ও পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেল বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। একই সময়ে ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশ) প্যানেল ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনাস্থা জানায়। অন্যান্য প্যানেলও কারচুপি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ করেছেন।
তবুও শিক্ষার্থীদের অনেকেই এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক দোষারোপ হিসেবে দেখছেন এবং শেষ সময় পর্যন্ত ভোটগ্রহণে অংশ নিয়েছেন।