প্রকাশ: বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩:৩৭ পিএম আপডেট: ১০.০৯.২০২৫ ৩:৪০ PM

সংগৃহীত ছবি
গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার হন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র অরিন্দম রায় দীপ। জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে অভিনেত্রী সাফা কবিরসহ টয়া, তিশা ও সুনিধির নাম। তখনই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিশেষ অনুসন্ধান শুরু করে। টয়া ও তিশা তখন অভিযোগ অস্বীকার করলেও সাফা এতদিন চুপ ছিলেন।
প্রায় এক বছর পর সম্প্রতি রুম্মান রশীদ খানের ‘বিহাইন্ড দ্য ফ্রেম’ পডকাস্টে অংশ নিয়ে বিষয়টি নিয়ে প্রথমবারের মতো কথা বলেন তিনি।
সাফা বলেন, নিউজটি দেখে আমি পুরোপুরি শকড হয়ে যাই। ভাবছিলাম, এটা কী হচ্ছে! কিন্তু এরপর কোনো আপডেটও আর আসেনি। অথচ এই খবর আমার ক্যারিয়ারকে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলে দিল। কয়েকটা মেয়েকে নিয়ে এমন নিউজ করার আগে একবারও কি ভেবেছিল, আমাদের জীবনে এর প্রভাব কী হবে?
তার মতে, প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের খবর প্রচার করা অন্যায়।
তিনি বলেন, আমরা না জেনেই অনেক কিছু শেয়ার করি। কিন্তু বুঝি না, এতে কারও জীবন বা সমাজে কী প্রভাব পড়বে। মিডিয়াকে অনেকেই আগে থেকেই নেতিবাচকভাবে দেখে, আর এসব খবর বাবা-মায়েদের ভেতরে ভীতি তৈরি করে। তাদের মনে হয়, মিডিয়া নিরাপদ জায়গা নয়।
সাফা জানান, খবর প্রকাশের কয়েকদিনের মধ্যেই একাধিক কাজ হারান তিনি। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার খবর বের হয়, রবিবার একটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা বাতিল করে দেয়। আমি বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম, এটা শুধু একটা নিউজ, আমার সম্পৃক্ততা নেই। কিন্তু প্রমাণ করার কিছুই ছিল না। এমনকি সিনিয়র শিল্পীরাও আমার সঙ্গে কাজ করতে চাননি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠায় সবাই দূরে সরে যাচ্ছিল।
তবে কঠিন সময়ে শোবিজের কয়েকজন সহকর্মী পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বলে জানান তিনি। সাফা বলেন, তৌসিফ মাহবুব সরাসরি বলেছিল, আমি সাফার সঙ্গে কাজ করব। জোভান, সিয়ামও মানসিকভাবে আমাকে সাপোর্ট দিয়েছে। এ কারণে আমি কৃতজ্ঞ। অনেকে বলে, মিডিয়ার মানুষেরা বন্ধু হয় না, কিন্তু আমি এর সঙ্গে একমত নই।