প্রকাশ: বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫, ৬:৫০ পিএম

সংগৃহীত ছবি
জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা রেড্ডি। একসময় বলিউডে ঝড় তুলেছিলেন তিনি। একের পর এক ছবিতে তার উপস্থিতি নজর কেড়েছিল দর্শকের। এখন সেভাবে আর রুপালি পর্দায় তাকে দেখা যায় না।
পর্দায় না দেখা গেলেও সামাজিক মাধ্যমে তার উজ্জ্বল উপস্থিতি। যার লাস্যময়ী চেহারা ঝড় তুলেছিল বলিউডে, সেই সামিরা একসময় নিজেই নিজেকে আয়নায় দেখতে পছন্দ করতেন না। নির্মেদ, ছিপছিপে শরীরের ওজন বেড়ে দাঁড়ায় ১০৫ কেজি। রেহাই পাননি সবজি বিক্রেতার হাত থেকেও।
এখন স্বামী ও ছেলেমেয়েকে নিয়ে সংসার সামিরার। মাতৃত্বের স্বাদ পুরোদমে উপভোগ করছেন নায়িকা। কিন্তু মা হয়ে ওঠার যাত্রাপথে যেসব শারীরিক সমস্যায় ভুগেছিলেন, তা ভুলতে পারেননি সামিরা। মা হওয়ার পরে ওজন বেড়ে যায় তার, যা নিয়ে হয়রান হয়েছিলেন সমীরা।
অভিনেত্রী বলেন, “মা হওয়ার পর থেকে আমার হরমোনের এমন পরিবর্তন শুরু হয় যে, ছিপছিপে চেহারা থেকে ১০৫ কেজি ওজন হয়ে যায়। লোকে আমাকে দেখে নানা তির্যক মন্তব্য করতেন। পথে সবজি বিক্রেতা পর্যন্ত বলতেন, এ মা! কেমন দেখতে হয়ে গিয়েছেন! খুব কষ্ট হতো তখন।”
অভিনেত্রী জানাচ্ছেন, মা হওয়ার পরে শুধু চেহারায় বদল নয়, মানসিক অবসাদও তাড়া করে বেড়াত তাকে। উদ্বেগ, অস্বস্তি, দুশ্চিন্তায় রাতের পর রাত ঘুমোতে পারতেন না তিনি, যার প্রভাব পড়ত তার আচরণেও। একটা সময় রোগা হওয়ার চেষ্টাও করেন।
তবে অভিনেত্রী বলেন, “এই ৪৬ বছর বয়সে বুঝেছি, না খেয়েদেয়ে রোগা হওয়া সম্ভব নয়। আমি ভেতরের শক্তি বাড়ানোয় বিশ্বাসী। নিয়মিত শরীরচর্চা করি ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাই।”
উল্লেখ্য, অক্ষয় ভার্দে আর সামিরার প্রথম সন্তান হংসের জন্ম ২০১৫ সালে। তার পর ২০১৯ সালে জন্ম হয় কন্যা নাইরার।