প্রকাশ: বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫, ১১:২১ AM

বাংলা সাহিত্যের শক্তিমান কবি মীর আব্দুস শুকুর আল মাহমুদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে গুলশানে নির্মিত হয়েছে “কবি আল মাহমুদ পাঠাগার”।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) গুলশানের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ পার্কে পাঠাগারটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম।
ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ‘ঢাকায় জমির ব্যবহার নিয়ে বড় সংকট রয়েছে। ওপেন স্পেসকে বহুমুখী কাজে ব্যবহার করার অংশ হিসেবে জনপরিসরে লাইব্রেরি স্থাপনের কাজ করছে ডিএনসিসি।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের লাইব্রেরি শিশু-কিশোরদের পাঠাভ্যাস গড়ে তুলবে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগুলো একেকটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকশিত হবে।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম বলেন, ‘আল মাহমুদ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কবি, যিনি এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের যাপিত জীবনকে অসাধারণভাবে কবিতায় প্রকাশ করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘শুধু লাইব্রেরি তৈরি করলেই চলবে না, বরং লাইব্রেরি পরিচালনার জন্য একটি টেকসই কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।’
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘জীবনের প্রতিটি ছন্দে কীভাবে জীবনকে অনুভব করতে হয়, তা আমরা কবি আল মাহমুদের কাছ থেকেই শিখেছি। তিনি ছিলেন একাধারে কবি ও দার্শনিক। ’
মীর মোহাম্মদ মনির বলেন, ‘কবি আল মাহমুদকে নিয়ে ব্যবসায়িক স্বার্থসিদ্ধি বা রাজনৈতিক ট্যাগ দেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। তিনি কবি পরিবারের পক্ষ থেকে নবনির্মিত পাঠাগারের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।’
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘কবি আল মাহমুদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ভান্ডারে অমূল্য সম্পদ। তার সাহিত্যকীর্তিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ বিশেষ ভূমিকা রাখবে।’
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম