প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ৮:১২ পিএম আপডেট: ২৬.০৮.২০২৫ ৮:১৭ PM

একযোগে দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বায়ুদূষণ রোধে আজ পরিবেশ অধিদপ্তর একযোগে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে।
চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয় ৩৪টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ৭ ধারা অনুযায়ী মোট ৪১ লাখ ৭৭ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ আরোপ করেছে।
ঢাকার রামপুরা ব্রিজ এলাকায় ১০টি ডিজেল চালিত বাস ও ট্রাকের গ্যাস নিঃসরণমাত্রা স্মোক অপাসিটি মিটার দিয়ে পরিমাপ করা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও ৫টি মামলা দায়ের করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন মনিটরিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট উইং-এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশিক আহমেদ। প্রসিকিউটর ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের জুনিয়র কেমিস্ট মো. মাহবুর রহমান।
মোহাম্মদপুর এলাকায় নির্মাণ সামগ্রী দ্বারা বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে পৃথক মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২২ এর বিধি ১১(ঙ) লঙ্ঘনের দায়ে দুইটি মামলায় মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তুষার কুমার পাল। প্রসিকিউটর ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার গৌরব মুস্তাফা।
একই দিনে ঢাকায় বিআরটিএ’র সঙ্গে যৌথ মোবাইল কোর্টে ৩১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায়, ১০টি মামলা দায়ের এবং একটি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়। কোর্ট পরিচালনা করেন বিআরটিএ’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল হাসান।
নারায়ণগঞ্জ জেলার আড্ডা, কামদাল, বারপাড়া ও বন্দরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সিনিয়র সহকারী সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস। পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মোবারক হোসেন প্রসিকিউশন প্রদান করেন।
দূষণকারী প্রতিষ্ঠান ইয়াং ইউয়ান কোং লিমিটেডের বিরুদ্ধে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং এইচটি ক্যাবল জব্দ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর না করা পর্যন্ত কারখানা পরিচালনা না করার শর্তে মুচলেকা দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বায়ুদূষণ রোধে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।