খুলে দেওয়া হলো ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের ১৮ কিমি.
প্রকাশ: রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫, ৩:৪৫ পিএম আপডেট: ২৪.০৮.২০২৫ ৩:৪৮ PM

সংগৃহীত ছবি
গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া এলাকায় ১৮ কিলোমিটার ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ রবিবার (২৪ আগস্ট) সকালে এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
এর আগে, ফলক উন্মোচন করতে গিয়ে ফলকে নিজের নাম দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপদেষ্টা। পরে তিনি ফলক উন্মোচন না করে ফিতা কেটে ১৮ কিলোমিটার ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফীনসহ প্রকল্পের দেশি-বিদেশি কর্মকর্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, “আশপাশের দেশের তুলনায় আমাদের দেশে রাস্তা নির্মাণের ব্যয় অনেক বেশি। কারণ রাস্তা-ঘাট নির্মাণ দুর্নীতির একটা বড় ক্ষেত্র। এই দুর্নীতি কমানো গেলে নির্মাণ ব্যয় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কমানো সম্ভব।”
নিজেদের সক্ষমতা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, “সড়ক নির্মাণে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও রেলওয়ে সেক্টরেও বাইরে থেকে লোক এসে কাজ করে দেয়। কিন্তু সেটা আর কত দিন? শত শত কিলোমিটার নতুন রেলপথ হলো। ফিজিক্যাল স্টাডি করতে হয়েছে বাইরের দেশের প্রকৌশলী দিয়ে। তাহলে আমাদের এত প্রকৌশলী থেকে লাভ কী?”
তিনি আরো বলেন, “নদীপথ, রেলপথ ও বিমানপথে যাতায়াতে অবহেলা করা হচ্ছে। এসব পথের ব্যবহার বাড়াতে হবে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাল্টিলেভেল পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পরিকল্পনার মধ্যে সব কিছু একত্রে দেখা হবে। যেখানে যেটা উপযুক্ত সেখানে সেটার ওপর জোর দেওয়া হবে। যেখানে নদীপথে যাতায়াত সহজ হবে সেখানে নদীপথের ওপর জোর দেওয়া হবে। যেখানে রেলের জন্য সহজতর হবে, সেখানে রেলের জন্য জোর দেওয়া হবে। শুধু সড়কের ওপর নির্ভরতা এটা আমাদের কমাতে হবে। প্রতিদিনই জমি অধিগ্রহণ এটা একটা দীর্ঘ এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। এ জন্য এখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।”
প্রকৌশলীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ভবিষ্যতে নিজেরা একটা রাস্তা করে দেখান। নিজেরা একটা পাওয়ার প্লান্ট করে দেখান। নিজের একটা ট্রান্সমিশন লাইন করে দেখান। বিদেশিদের নির্ভরতা থেকে আমাদের মুক্ত হয়ে আসতে হবে।”