প্রকাশ: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫, ৭:২৫ পিএম

দামুড়হুদায় সোনালী পাটের স্বপ্ন বুনছেন কৃষকরা
দামুড়হুদার কৃষকরা এখন “সোনালী পাট” কেটে, জাগ দিয়ে (পচিয়ে) আঁশ ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নারী-পুরুষ সবাই নিজেদের সোনালী স্বপ্ন সাধনের জন্য তৎপর। বর্ষার পানি ব্যবহার করে পাট পচানো হয়, এরপর রোদে শুকিয়ে বাজারে বিক্রি করা হয়।
বাংলাদেশ সোনালী আঁশের দেশ হিসেবে পরিচিত। এক সময় পাট ছিল দেশের প্রধান অর্থকরী ফসল। দামুড়হুদা উপজেলায় এ বছর পাটের ফলন ভালো হয়েছে এবং বাজারমূল্যও সন্তোষজনক হওয়ায় চাষিরা খুশি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চাষিরা পাট কাটা, জাগ দেয়া, পাটকাঠি থেকে আঁশ ছাড়ানো ও শুকানো নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বীজ বপন থেকে আঁশ ছাড়িয়ে বিক্রির প্রস্তুতি পর্যন্ত যে খরচ হয়, বর্তমান বাজারমূল্যে বিক্রি করলে লাভের সুযোগ আছে।
দামুড়হুদা কৃষি অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে, এ বছর উপজেলার পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৩,২৭০ হেক্টর হলেও ৪,৬১২ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। কিছু এলাকায় আগাম পাট চাষ হওয়ায় বিক্রি ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। পাটের বাজার মূল্য মণ প্রতি ৩,২০০ টাকা থেকে ৩,৫০০ টাকা পর্যন্ত। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, দাম আরও বাড়তে পারে।
পাটচাষী মো. সহোরাব ও জহিরুল জানিয়েছেন, ঘরে তুলতে খরচ হলেও বর্তমান দাম অনুযায়ী বিক্রি করলে লাভ হবে।
কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের হুদাপাড়া গ্রামের পাটচাষী রহমান বলেন, “ফলন ও দাম দুটোই ভালো হওয়ায় আমরা খুশি।”
দামুড়হুদা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, এলাকার আবহাওয়া পাট চাষের জন্য উপযুক্ত। প্রতি বছরই ফলন ভালো হয়। চলতি বছরও ভালো ফলন হয়েছে এবং কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, বাজারে পাটের দাম সামনে আরও বৃদ্ধি পাবে।