প্রকাশ: রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫, ৯:১৫ পিএম

বিয়ে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও এটি বৈধতার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়। ইতিহাসে দেখা যায়, নবীজির পরিবার ও সাহাবাদের মধ্যে বয়সের বড় ব্যবধানের উদাহরণ রয়েছে। যেমন, হযরত আলি (রা.) ও হযরত ফাতেমা (রা.)–এর বিয়ে।
ইসলামে বয়সে ভারসাম্য রক্ষা করা উচিত। স্বামীর চেয়ে স্ত্রীর বয়স কিছু কম হলে দাম্পত্য সম্পর্কের ভারসাম্য আসে। মহান কুরআনে জান্নাতি নারীদের “সমবয়সী” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে (সুরা সাদ, আয়াত ৫২; সুরা ওয়াকিয়া, আয়াত ৩৫-৩৮)। এছাড়া হাদিসেও নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুমারী নারী বিয়ে করার প্রাধান্য দিয়েছেন।
ইসলামে বয়সের ব্যবধানের ওপর কঠোর বিধি নেই, তবে বাস্তবতা, সামাজিক প্রেক্ষাপট ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ভারসাম্য রাখা উত্তম। সাধারণত স্বামীর বয়স স্ত্রীর চেয়ে দুই-চার বছর বেশি হলে সম্পর্কের সমন্বয় সহজ হয়।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ