প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫, ১:০৫ পিএম

সংগৃহীত ছবি
যে কোনো খেলায় সাফল্য পেতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ফিটনেস। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সব সময়ই জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ফিটনেসের প্রতি বিশেষ নজর দেয়। আসন্ন নেদারল্যান্ডস সিরিজ এবং এশিয়া কাপের প্রস্তুতির জন্য দীর্ঘ সময় ধরে ফিটনেস ক্যাম্প চলছে, যেখানে ক্রিকেটাররা অংশগ্রহণ করছেন। সম্প্রতি একটি ফিটনেস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাতীয় দলের স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ নাথান কেলি বলেন, “এখানে পাশ বা ফেল হওয়া বড় বিষয় নয়, বরং কার ফিটনেসের কী অবস্থা, শক্তি ও দুর্বলতা কোথায় তা বোঝাই প্রধান লক্ষ্য। জাতীয় স্টেডিয়ামে আমরা কিছু টেস্ট করেছি, যেখানে স্প্রিন্ট ও কন্ট্রোল পরীক্ষা হয়েছে। নাহিদ অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। আমরা পুরো গ্রুপকে আরও ভালো করার চেষ্টা করছি। কিছু স্ট্রেন্থ টেস্টিংয়ের পরামর্শও দিয়েছি। খেলোয়াড়দের মধ্যে অনেক উন্নতি হয়েছে।”
ক্রিকেট যদিও ভিন্ন ধরনের খেলা, তবুও যথাযথ অ্যাথলেট হওয়া জরুরি বলেও মনে করেন কেলি। তিনি বলেন, “ছেলেরা এখন অনেক টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে ম্যাচ খেলছে। তাদের শুধু ক্রিকেট দক্ষতাই নয়, অ্যাথলেট হিসেবেও উন্নতি করতে হবে। তারা কঠোর পরিশ্রম করছে। আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ হলো দীর্ঘ সময় ফিজিক্যাল কাজ চালিয়ে যাওয়া।”
তিনি আরও বলেন, “আপনি যেকোনো খেলায় থাকুন না কেন, ভালো অ্যাথলেট হতে হবে। ফিট ও শক্তিশালী হতে হবে। শীর্ষ দুই ক্রিকেট জাতির দিকে নজর দিন, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া তাদের প্রি-সিজনে ১৫ সপ্তাহ ধরে কঠোর পরিশ্রম করে। আমাদের সময় কম, তাই এই সীমিত সময়েই আমাদের সেরাটা দিতে হবে।”
খেলোয়াড়দের আরও অ্যাথলেটিক হওয়ার পরামর্শ দিয়ে কেলি বলেন, “অ্যাথলেটদের কর্মক্ষমতা দিন শেষে একরকম হয়। আমরা এমন ক্রিকেটার চাই যাদের অ্যাথলেটিক ফিটনেস তাদের খেলার স্বাধীনতা দেবে। এতে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং আরও উন্নত হবে এবং মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হবে। বিশেষ করে ফাস্ট বোলারদের দীর্ঘ স্পেল করতে হবে। এটা শুধু ক্রিকেটের জন্য নয়, সব খেলাতেই উচ্চমানের অ্যাথলেটিক ফিটনেস দরকার।”