বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ ড. এম এ কাইয়ুমকে নিয়ে দৈনিক মানবকণ্ঠে মিথ্যা খবর প্রকাশ
প্রকাশ: শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫, ১০:৩৫ পিএম

গত শুক্রবার (৮ আগস্ট) দৈনিক মানবকণ্ঠে ত্রিশূলচক্রে বিমানবন্দরের অপরাধ জগত নামক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেই প্রতিবেদনে স্বদেশ প্রপার্টিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এম এ কাইয়ুমের নামে ভিত্তিহীন ও মনগড়া তথ্য উপস্থাপন করা হয়। তাদের প্রকাশিত খবরের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। এই খবরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ ড. এম এ কাইয়ুম।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শাহজালাল বিমানবন্দর ও তার আশপাশ এলাকায় স্বর্ণ চোরাচালান, প্লট জালিয়াতি, ঘুষবাণিজ্য, ইমিগ্রেশন বাণিজ্যের কথা। কিন্তু, এসব অভিযোগের সাথে ড. এম এ কাইয়ুমের ন্যূনতম কোনো সম্পর্ক নেই।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ত্রিশূল চক্রের মাধ্যমে ইমিগ্রেশনে সেফ এক্সিট দেওয়া হয় আ.লীগ নেতাদের। এসব তথ্য হাস্যকর। যা মুখরোচকও বলা যায়। কতটা হলুদ সাংবাদিকতা করলে এধরনের মিথ্যা গোঁজামিল দেওয়া তথ্য উপস্থাপনা করা যায় তার স্বচিত্র প্রমাণ হচ্ছে এ প্রতিবেদন। কেননা, ড. এম এ কাইয়ুম ছাত্র জীবনেই বিএনপির রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফাকে বুকে ধারণ করে বিএনপির রাজনীতি করেন। রাজপথে ত্যাগী ও পরীক্ষিত হওয়ায় দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন হন। দলের পক্ষ থেকে কমিশনার মনোনয়ন পেয়েও নির্বাচিত হন। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম এ কাইয়ুম। বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও তিনি ঢাকা-১১ (বাড্ডা-ভাটারা-রামপুরা) আসনে ধানের শীষে প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়।
ড. এম এ কাইয়ুম জিয়া পরিবারের আস্থাভাজন হওয়ায় টার্গেট করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলন তুঙ্গে নেন এম এ কাইয়ুম। তাকে দমানোর জন্যই গুলশানে বিদেশি নাগরিক হত্যাসহ অসংখ্য মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। অবৈধ আওয়ামী সরকারের মিথ্যা মামলা-হামলা নির্যাতনের কারণে পরিবার পরিজন থেকে বছরের পর বছর নির্বাসিত জীবন-যাপন করেন।
অথচ, মানবকণ্ঠের প্রতিবেদক এসব সত্য তথ্য আড়াল করে নিজের মনগড়া মিথ্যা তথ্য দিয়ে এম এ কাইয়ুমকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে বেসাতি গল্প লেখেন। এতে আবারো প্রমাণিত হয়, হলুদ সাংবাদিকতার আঁতুড়ঘর দৈনিক মানবকণ্ঠ। এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন খবর প্রকাশ করে গণমাধ্যমকে কলঙ্কিত করা হয়েছে।
মানবকণ্ঠের ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে কাইয়ুম-গোল্ডেন মনির-শফিক সিন্ডিকেট। কিন্তু এই তথ্যে স্বপক্ষে কোন প্রমাণ দিতে পারেনি প্রতিবেদক। এরকম সিন্ডিকেটের আদৌ কোনো অস্তিত্ব নেই। দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ আলহাজ ড. এম এ কাইয়ুমের মর্যাদাহানি করতেই একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব বস্তাপঁচা অসত্য তথ্য পরিবেশন করছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম