প্রকাশ: শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫, ১০:০২ AM

পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনেগ্রোর
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে আসন্ন সেপ্টেম্বরে সিদ্ধান্ত নেবে পর্তুগাল। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সময় এই বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।
গত বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনেগ্রোর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির এই বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্টের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ অধিবেশনের হাই-লেভেল সপ্তাহেই এই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হতে পারে।
গাজা সংকটের পটভূমিতে এই পদক্ষেপকে ইসরায়েলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি এবং দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানকে পুনরুজ্জীবিত করার একটি কৌশল হিসেবেই দেখছে পর্তুগাল।
এর আগে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও কানাডা ঘোষণা দিয়েছে, তারা আসন্ন শরতের মধ্যেই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
অন্যদিকে, জার্মানি এখনই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে নয়। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ভাডেফুল জানান, এই মুহূর্তে স্বীকৃতি উপযুক্ত নয়, তবে দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক আলোচনা অবিলম্বে শুরু হওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, “আলোচনার মাধ্যমে গঠিত একটি দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি—উভয় জনগণের জন্য শান্তি, নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে পারে। জার্মানির দৃষ্টিতে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে আলোচনার সফল সমাপ্তির পরে।”
এ ছাড়া ইউরোপের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠ সুইডেন ইউরোপীয় ইউনিয়নকে আহ্বান জানিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করার জন্য। সুইডিশ কর্মকর্তারা গাজায় চলমান ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতিকে তুলে ধরে এই পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল