প্রকাশ: শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫, ২:৪২ পিএম আপডেট: ০২.০৮.২০২৫ ৯:০৭ এএম

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় পরকীয়ার সন্দেহে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেছেন এক ব্যক্তি। হত্যার পর চার বছরের শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেলে, আর বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাতের দিকে অভিযুক্ত স্বামী থানায় গিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
আটক ব্যক্তির নাম সরোয়ার হোসেন (৪০)। তিনি বাউফলের নদমুলা গ্রামের মৃত মোকসেদ আলীর ছেলে। নিহত স্ত্রী ছালমা আক্তার (৩২) পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া গ্রামের বাসিন্দা ও বাউফল নুরাইনপুর নেছারিয়া ডিগ্রি মাদ্রাসার বাংলা বিভাগের প্রভাষক ছিলেন।
জানা গেছে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে। চাকরির সুবাদে তারা বাউফলের চন্দ্রপাড়া গ্রামের এক বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। বুধবার বিকেলে কলহের জেরে সরোয়ার হোসেন ঘরে থাকা ধারালো দা দিয়ে স্ত্রীর ঘাড়ে কোপ দেন। সালমা আক্তার ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পরে বাসার দরজা-জানালা বন্ধ করে তিনি শিশু সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যান। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতের দিকে বিবেকের তাড়নায় বাউফল থানায় গিয়ে স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরোয়ার থানায় এসে হত্যার কথা স্বীকার করলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। শিশুটিকেও নিরাপত্তার জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’
থানার ওসি আকতারুজ্জামান সরকার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সরোয়ার দাবি করেছেন, স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত ছিলেন বলেই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম