প্রকাশ: শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫, ১০:০২ AM

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক ১৫ শতাংশ কমিয়ে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। এই ঘোষণার পর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, ‘আজ আমরা সম্ভাব্য ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক এড়াতে পেরেছি। এটি আমাদের পোশাক খাত এবং লাখো শ্রমিকের জন্য অত্যন্ত স্বস্তির সংবাদ।’
শুক্রবার (১ আগস্ট) হোয়াইট হাউসের এক ঘোষণায় যুক্তরাষ্ট্র জানায়, নতুন নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী ৭০টি দেশের আমদানির ওপর নতুন শুল্কহার আরোপ করা হয়েছে। এর পরপরই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থ ও সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই আলোচনার প্রতিটি ধাপ পরিচালনা করেছি। আমাদের পোশাক খাত রক্ষাই ছিল অগ্রাধিকার। তবে আমরা মার্কিন কৃষিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, যা আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি রাজ্যগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে সহায়ক হবে।’
নতুন শুল্কনীতিতে দেখা যায়, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়া- সবগুলো দেশের ওপরই ২০ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। অন্যদিকে ভারত একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারায় ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। মিয়ানমারের ওপর শুল্কহার সবচেয়ে বেশি- ৪০ শতাংশ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, শুল্ক হার নির্ধারণে শুধু বাণিজ্য ভারসাম্য নয়, দেশীয় নীতিমালার সংস্কার, অশুল্ক বাধা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতির বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
খলিলুর রহমান মনে করেন, ‘আমরা আমাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছি এবং বিশ্বের বৃহত্তম ভোক্তা বাজারে প্রবেশের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছি।’
এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও অন্যান্য রপ্তানি খাতের জন্য ইতিবাচক বার্তা হয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম