প্রকাশ: শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫, ৩:৪৭ পিএম

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় এসেছে চরমোনাই পীরের দল, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ। বিএনপির ছায়া থেকে বের হয়ে তারা এখন সরাসরি বিএনপিকেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে: কেন এই কৌশল বদল?
চরমোনাই কখনো কোনো এম্পি পায়নি। এই সংগঠনটির রাজনীতি হচ্ছে ধর্মপ্রাণ কওমী বাংলাদেশী মুসলমানদের নিয়ে- যারা পছন্দ করে ভক্তি, আধ্যাত্মিকতা ও পরকালের মুক্তি। এরই একটি অংশের মানুষ চরমোনাইয়ের মুরীদ। তাদের একটি অংশ বরাবরি নৌকায় ভোট দেয়েছে যারা এখন পর্যন্ত চরমোনাই করছে। কারণ নৌকা ছিলো তাদের পলিটিকাল চয়েস।
কিন্তু নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগের কিছুই নেই বলতে গেলে। তাই চরমোনাই তার নতুন লক্ষ্য হিসেবে আরও একটি অংশকে নির্বাচিত করেছে। আর তারা হলো ধর্মপ্রাণ নিরীহ আওয়ামী লীগ কর্মীরা। এরাই হচ্ছে চরমোনাইয়ের নতুন লক্ষ্য।
বিশেষ করে গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, ও মাদারীপুর- এই চার জেলাকে চরমোনাই এবার নির্বাচনী কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করছে। অনুমান করা হচ্ছে, এখানে হাতপাখা প্রতীকের জোয়ার দেখা যেতে পারে।
আর মুজিববাদী হাসিনা বিরোধী আওয়ামী লীগদের নির্বাচন করছে বিএনপি, সে জন্য ফজু সাহেব ও রুমিন ফারহানা মুজিব বন্দনা করছে এবং তারা সফল। করণ বিএনপি এই ভোট টা নিশ্চিত করছে।
জামায়াত তাদের প্রচারণা চালাচ্ছে মূলধারার হাসিনা আওয়ামী লীগারদের দিকে। যদিও এদের পুরোপুরি টানা কঠিন, তবে কিছু ভোট পাবে এটা নিশ্চিত।
অন্যদিকে এনসিপি মূলত বিএনপির সমর্থকদের দিকেই নজর দিচ্ছে। সেখান থেকেও তারা কিছু ভোট পেতে পারে, কিন্তু আওয়ামী লীগ ঘরানা থেকে সমর্থন পাওয়া তাদের জন্য খুবই কঠিন।
বর্তমান নিরীহ ধর্মপ্রাণ আওয়ামী লীগ, মুজিববাদী হাসিনা আওয়ামী লীগ, হাসিনার আসল আওয়ামী লীগ এসবের কেউই তাদের ভোট দিবে না।
লেখক: সদস্য, নির্বাচন সংস্কার কমিশন
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম