প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫, ৪:৫২ পিএম আপডেট: ২৪.০৭.২০২৫ ৫:১৪ PM

সংগৃহীত ছবি
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর জনসভাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনা তদন্তে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিশন গঠন করেছে সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এ তথ্য জানান।
১৯৫৬ সালের কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট এর ধারা ৩ অনুসারে এই কমিশন গঠন করা হয়। কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ঘটনাটির ওপর গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে।
সাবেক বিচারপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মো. আবু তারিককে এই কমিশনের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা হলেন খন্দকার মো. মাহাবুবুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ এবং মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ।
কমিশনের কার্যপরিধি হচ্ছে ঘটনাটির মূল কারণ উদ্ঘাটন, এনসিপি জনসভায় হামলার জন্য দায়ীদের চিহ্নিতকরণ, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ, জেলা কারাগারসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় হামলা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনার বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে পরামর্শ প্রদান।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জ জেলা সদরে এনসিপির জনসভায় ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত’ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রশাসন প্রথমে ১৪৪ ধারা এবং পরবর্তীতে কারফিউ জারি করে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর সহায়তা নেয়া হয়।
এরপর জেলা কারাগার ও বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে এবং নাগরিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, যার পেছনের কারণ অনুসন্ধানেই কমিশনটি গঠিত হয়েছে।
প্রয়োজনে কমিশন অতিরিক্ত সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে এক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ তদন্ত কমিশনকে সকল প্রকার প্রশাসনিক ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে।
কমিশনকে তিন সপ্তাহের মধ্যে সুস্পষ্ট মতামত ও সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে দাখিল করতে হবে।