প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫, ১১:৪১ পিএম

ফাইল ছবি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী ১৯ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথমবারের মতো বড় আকারের জাতীয় সমাবেশ করতে যাচ্ছে। এই সমাবেশকে ঘিরে রাজধানী ও সারাদেশে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি।
দলটির দাবি, সমাবেশে অন্তত ১০ লাখ মানুষ অংশ নেবে। এই লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই ১০ হাজার বাস রিজার্ভ করা হয়েছে। এছাড়া লঞ্চ ও ট্রেনেও নেতাকর্মীদের আগমন হবে বলে জানিয়েছে জামায়াত।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, শুধুমাত্র পরিবহন ব্যবস্থাপনায়ই নয়, সমাবেশের সার্বিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ছয় হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে। ইতোমধ্যে মহানগর, জেলা, উপজেলা থেকে পাড়া-মহল্লা পর্যন্ত প্রচার চালানো হচ্ছে।
সমাবেশের শান্তিপূর্ণ আয়োজন ও পুলিশের সহযোগিতার লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সঙ্গে এক ঘণ্টারও বেশি সময়ব্যাপী বৈঠক করে জামায়াতের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইমস অ্যান্ড অপারেশন) নজরুল ইসলাম। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন্স) মো. শহীদুল্লাহ, ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার গৌতম কুমার বিশ্বাস, রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলমসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বৈঠক শেষে জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও বৃহৎ পরিসরের একটি সমাবেশ করতে চাই। এ লক্ষ্যে পুলিশের সঙ্গে আমাদের সুস্পষ্ট সমন্বয় হয়েছে। সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মোবাইল নম্বর ডিএমপিকে সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এটি হবে আমাদের দলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমাবেশ। দেশব্যাপী ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আমরা শক্তিশালী ও শান্তিপূর্ণ একটি সমাবেশ উপহার দিতে প্রস্তুত।
প্রসঙ্গত, সাত দফা দাবিতে আয়োজিত এই সমাবেশকে সামনে রেখে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়াতের এই উদ্যোগ বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। রাজধানীতে বড় পরিসরে এমন জনসমাবেশের উদ্যোগ রাজনৈতিক অঙ্গনে নজর কাড়ছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর