বৃহস্পতিবার ● ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       ● নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       ● আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      ● সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      ● সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       ● আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      ● লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      ● কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      ● প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ● ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      ● অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ● ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
আমরা অ্যাবসোলিউটলি ইন্ডিপেনডেন্টলি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি : সিইসি
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫, ৫:০৪ পিএম আপডেট: ১৩.০৭.২০২৫ ৫:১২ PM
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রধান নাসির উদ্দিন বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং হলেও একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব।”

নির্বাচন কবে হবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, “ইটস ভেরি ডিফিকাল্ট ফর মি টু রেসপন্ড, বিকজ আই মাইসেলফ ওন্ট নো এক্স্যাক্ট ডেট (সুনির্দিষ্ট তারিখ)। পোলিং ডেটটা জানি না। এপ্রিলে ফার্স্ট হাফে (প্রথমার্ধে) বলা হচ্ছে। দ্যাট কাইন্ড অফ থিং, উইল বি কমিউনিকেট টু আস, উইথ সাম আইডিয়া দ্যাট- প্লিজ গো অ্যাহেড- দিস ইজ দ্য রেঞ্জ।”

সরকার নির্বাচন কমিশনকে ভোটের তারিখ সম্পর্কে জানিয়েছে কি না? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “আপনি যেমন জানেন, আমিও তেমনি জানি যে আইদার ফেব্রুয়ারি, মানে রমজান মাসের আগে অথবা এপ্রিলে। যেটা সব সময় উনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলে আসছেন। সেটাই জানি, যেটা আপনি জানেন, দেশবাসী জানে, ওনার বক্তব্য থেকে। সেটা আমিও জানি।”

তিনি আরো বলেন, “সরকার তারিখ নিয়ে সেরকম কিছু বলে নাই। আমরা ধরে নিচ্ছি, ইট ইজ আওয়ার অ্যাসাম্পশন যে, বর্তমানে যে টাইম ফ্রেম বলা হচ্ছে, আইদার আর্লি ফেব্রুয়ারি বিফোর রমাদান, অর ইট মে বি সাম টাইম ইন দ্য ফার্স্ট হাফ অব এপ্রিল। হতে পারে, এপ্রিলের প্রথম দিকে হতে পারে।”

নাসির উদ্দিন বলেন, “আমরা প্রথম থেকেই ডিসেম্বরকে টার্গেট করে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। কারণ তখন তিনি ডিসেম্বর টু জুন বলেছিলেন। এজন্য আমরা ডিসেম্বরকে টার্গেট করে-ফ্রম ডে ওয়ান উই স্টার্টেড প্রিপেয়ারিং আওয়ারসেলভ।”

নির্বাচনের টাইমফ্রেম নিয়ে নিয়োগকালে কোনো ধারণা দেওয়া হয়েছিল কি না, এমনটা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “না দেওয়া হয় নাই। বাট আমি ধরে নিয়েছি যে ইলেকশন তো একটা হবে। আমি প্রথমে আমার অফিসারদের সঙ্গে বসেছি, একটা ইলেকশন করতে গেলে কী কী দরকার, কী কী কাজ আমাদের করতে হবে, কী কী কাজ বাকি আছে, তারা আমাদের একটা চার্ট করে দেবেন এবং কোন কাজ করতে কতদিন লাগে সেটা দেবেন। এখন তো আমরা জানি না ডিসেম্বর বা অন্য কোনো টাইমলাইন তো তখনো আসে নাই।”

ডিসেম্বরকে লক্ষ্য করে প্রস্তুতি কবে থেকে শুরু করা হয়েছে- এই প্রশ্নের জবাবে নাসির উদ্দিন বলেন, “যখন প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা করেন। সম্ভবত গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর উনি যে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন, তখন আমি মৌলভীবাজারে ছিলাম। ওখানে বসেই আমি শুনলাম যে ‘আইদার ইট উইল বি ইন ডিসেম্বর, অর ইন জুন’ এটা শুনলাম উনার বক্তব্যের মধ্যে।”

তিনি আরো বলেন, “এইটা শোনার পরে প্রস্তুতি বাড়িয়ে দিলাম আমরা, ডিসেম্বরকে ধরে ব্যাক ক্যালকুলেশন করে। কারণ ইলেকশনের ডেট থেকে অন্তত দুই মাস আগে আমাদের শিডিউল ঘোষণা করতে হয় আমাদের আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) অনুসারে। কারণ তফসিল ঘোষণা থেকে ভোটের তারিখ পর্যন্ত যে কর্মকাণ্ডগুলো দরকার, তাতে অন অ্যাভারেজ দুই মাস না হলে পারা যায় না। যেমন ধরেন, নমিনেশন ফাইল করার জন্য সময় লাগে।”

অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আমাদের প্রস্তুতি নিয়ে সরকারের কাছ থেকে কোনো গাইডেন্সও নাই, পরামর্শও নাই, আদেশও নাই, নির্দেশও নাই, নাথিং। আমরা অ্যাবসোলিউটলি ইন্ডিপেনডেন্টলি এই প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতে কী কথা হয়েছিল, এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এটা মূলত সৌজন্য সাক্ষাৎকার ছিল । কোনো এজেন্ডাভিত্তিক আলোচনার জন্য আমি যাইনি। আমি প্রেসে বলেছিলাম, সৌজন্য সাক্ষাৎ অর্থ এই নয় যে সালাম দিয়ে বসে থাকলাম ৪৫ মিনিট। তারপর আবার চলে আসলাম ওয়ালাইকুম আস সালাম দিয়ে। ইট ডাজ নট মিন দ্যাট।”


তিনি আরো বলেন, “অভিয়াসলি, উনি হেড অব দ্য গভমেন্ট, উনার জন্য একটা নির্বাচন সামনে আছে, নির্বাচনটা আমাকে ডেলিভার করতে হবে, ইসিকে ডেলিভার করতে হবে। অভিয়াসলি, নির্বাচনটা আলোচনার মধ্যে এসে গেছে। শুধু উনি জানতে চেয়েছেন যে আমাদের প্রিপারেশনের অবস্থা কী, স্ট্যাটাসটা কী, আমরা কতদূর এগিয়েছি, প্রস্তুত কী রকম। উনি জানতে চেয়েছিলেন, আমি উনাকে ডিটেইল জানিয়েছি, আমি কী কী করেছি, কী কী করতেছি, কী কী বাকি আছে বা আমাদের টাইমলাইনটা কী, কখন আমরা শেষ করতে পারব। আমাদের প্রস্তুতি সম্পর্কিত একটা ব্রিফ (ধারণা) ওনাকে (প্রধান উপদেষ্টাকে) আমি দিয়েছি। কারণ এটা ছিল মূলত সৌজন্য সাক্ষাৎকার।”

কয়েকটি রাজনৈতিক দল দাবি করছে যে নির্বাচন করার মতো পরিবেশ এখন নেই, এ বিষয়ে তার মত জানতে চাইলে সিইসি বলেন, “অ্যাকচুয়ালি রাজনীবিদদের বক্তব্যের বিষয়ে আমরা গাইডেড না। রাজনীতিকরা নানা ধরনের কথাবার্তা বলে। কোনো কোনো দল ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের কথা বলে, পরে আবার ব্যাক ট্র্যাক করে বলছে যে সংস্কারের আগে ভোট হতে পারবে না। নানা ধরনের কথা বলে। এইটা হলো রাজনৈতিক বক্তব্য।”

আইনশৃঙ্খলার নাজুক পরিস্থিতির কথা দলগুলো বলছে, মব ভায়োলেন্স বা দলবদ্ধ সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না, সেটার কথা বলছে। এর মাঝে নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, “চ্যালেঞ্জিং হবে। বাট ইট ইজ পসিবল। চ্যালেঞ্জিং, কারণ এখন তো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগস্টে যা দেখছিলাম বা গত বছরের ৮ আগস্টে যা দেখছিলাম অনেক ইম্প্রুভ করে গেছে না? অনেক ইম্প্রুভ করছে।”

তিনি বলেন, “ধরেন নির্বাচন যখন হবে, তখন ওই সময়ের মধ্যে দেখবেন যে সব কিছু শান্ত, অসুবিধা হবে না। বিশেষ করে প্রতিটি রাজনৈতিক দল ছোট হোক বড় হোক, তারা কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলে আসছে প্রথম থেকেই। কেউ বলে নাই যে আমি আগের মতো নির্বাচন চাই। জনগণ যদি আপনার সঙ্গে থাকে, কোনো রকমের কোনো মব বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আপনাকে তো ক্ষতি করতে পারবে না।”

জনগণ মব চায় না কিন্তু এখন পর্যন্ত এটি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে কী করা হবে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি কনফিডেন্ট যে ইলেকশন যখন হবে, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ব্রিফিং দিয়েছেন, শুধু পুলিশকে নয়, উনি তো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আর্মি থেকে আরম্ভ করে, আর্মি কীভাবে ডেপ্লয়মেন্ট হবে, বিজিবি কীভাবে হবে ইত্যাদি নানাবিধ প্রশ্ন করেছেন, এই চ্যালেঞ্জেসগুলো সামনে রেখে কিন্তু সরকারের যেমন তার নিজস্ব প্রস্তুতি চলছে, আমাদেরও কিন্তু একই রকম প্রস্তুতি চলছে। এই সব চ্যালেঞ্জগুলো কিন্তু আমাদের মাথায়ও আছে। এগুলো অ্যাড্রেস করার জন্য আমরা প্রস্তুত। সবধরনের ব্যবস্থা আমরা নেবো।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্বাচনের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না- জানতে চাইলে নাসির উদ্দিন বলেন, “যে নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি, একটা ফ্রি ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল ইলেকশন, সেটার জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নট বি প্রবলেম, আমি মনে করি।”

কিছু রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে এনসিপি, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। জবাবে সিইসি বলেন, “আমি নিরপেক্ষভাবে কাজ করব, এটাই আমার অঙ্গীকার। অফিসের সবাইকে গত দোসরা মার্চ প্রথম রোজায় ভোটার দিবসে সবাইকে হাত তুলে শপথ করিয়েছি যে, আপনারা সবাই একটা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন, এমন ওয়াদা আমাকে দেন। পহেলা রমজান অধিকাংশ রোজাদার হাত তুলে শপথ করেছে। ইসি নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছে, ওই রাজনৈতিক বক্তব্য এগেইন দিতে পারে। সময়ের বিবর্তনে যখন দেখবে আমরা কাজ করছি নিরপেক্ষভাবে, আস্তে আস্তে যখন আমাদের কাজকর্ম আরও সম্প্রসারিত হবে, তারা রিঅ্যালাইজ করবে যে না- এই নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ আছে। তাদের আস্থা আমাদের ওপর আসবে।”

বিএনপির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক আছে কি না জানতে চাইলে সিইসি বলেন, “আমি তো বিএনপির সদস্যও না, কোনো নেতাও না। কারও প্রতি আমাদের যে দুর্বলতা আছে, এটা বলতে পারে পলিটিক্যাল স্টেটমেন্ট তো দিতেই পারে। আপনি তো এটা শুনছেন, অনেকে তো আমাকে জামায়াতও বলে। একেকজন একেকটা বলে। এগুলো পলিটিক্যাল স্টেটমেন্ট। আমি এগুলোকে সেভাবে দেখি। উনারা বলতেই পারে। উনাদের তো বলার অধিকার আছে, বলবেই। আমাদের কাজকর্ম দেখে উনারা এক পর্যায়ে বুঝে যাবে যে এখান থেকে ন্যায়বিচার পাওয়া যায়। আমি ওই চেয়ারটাকে (সিইসির চেয়ার) একটা বিচারকের আসন মনে করি। সুতরাং আমার হাত দিয়ে যেন অবিচার না হয়। আমি সবার জন্য যেন সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে পারি, বিচারকের মতো করেই আমি এই কাজটা করতে চাই।”

সম্প্রতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঘটনায় ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে গেজেট দিলেন। সেটা আপনারা আদালতের নির্দেশে দিয়েছেন, কিন্তু আপনারা সেই গেজেট দেওয়ার আগে আপিলের দিকে কেন গেলেন না? এমন প্রশ্নের উত্তরে নাসির উদ্দিন বলেন, “ওই অর্ডারটা আসছিল নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল থেকে। নির্বাচনি অপরাধ কীভাবে ডিল করবে সেটা আমাদের আইনে বলা আছে। ওটা ছিল লোকাল গভমেন্ট আইনের অধীনে। আপনি যদি চিন্তা করেন আপনার অপনেন্ট আপনার প্রতি ইনজাস্টিস করেছে, কোনো মিস ম্যানেজমেন্ট করেছে বা কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে জিতে গেছে, তখন আপনার উচিত হবে ট্রাইব্যুনালে যাওয়া। ওখানে ফেল করলে তখন অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে যাবেন। এই ট্রাইব্যুনালগুলো আমরা গঠন করে দেই। আমার গড়া একটা কোর্টে আমি কী একটা পক্ষভুক্ত হইতে পারি? আইনের বিধানও নাই, আর এটা জিজায়রেবলও না। ওইটা- ডাইরেকশন ফ্রম দ্য ট্রাইব্যুনাল।”

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নির্বাচন কমিশন তাদের নিবন্ধনও স্থগিত করেছে। সিইসি বলেন, “উনাদের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত। যদি বিচার শেষ হয়, যদি শাস্তি না দেওয়া হয়, নিষেধাজ্ঞা দেওয়া না হয়; সরকারের যে সিদ্ধান্ত সে অনুযায়ী তাদের রেজিস্ট্রেশন রাখাই তো মিনিংলেস হয়ে যায়। তারা কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে পারবে না। এ জন্য আমরাও রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করে দিয়েছি।”

নির্বাচনে অন্তর্ভুক্তিমূলকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে কি না-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “অবশ্যই প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে আমার দৃষ্টিতে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন মানে যত বেশি সম্ভব ভোটারদের সম্পৃক্ত করা।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, নিষিদ্ধ দলগুলোর সমর্থকরাও ভোট দিতে আসবেন।”

সাবেক দুই কমিশনারের গ্রেফতার এবং একজনের গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনা সম্পর্কে সিইসি বলেন, “এটি বিচারাধীন বিষয়, আমি মন্তব্য করব না। তবে হেনস্তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন নিয়ে কিছু আলোচনা রয়েছে। তবে সিইসি জানান, “আমাদের প্রধান মনোযোগ জাতীয় নির্বাচন। স্থানীয় নির্বাচন ধাপে ধাপে আয়োজন করতে সময় লাগে, যা এখন সম্ভব নয়।”

নির্বাচনের আগে প্রায় দেড়শো দল নিবন্ধনের আবেদন করেছে। এ বিষয়ে সিইসি জানান, “আমাদের স্ক্রুটিনি চলছে। যাদের কাগজপত্র অসম্পূর্ণ তাদের ১৫ দিন সময় দেওয়া হবে। শর্ত পূরণ না করলে নিবন্ধন দেওয়া যাবে না।”

শাপলা প্রতীক চেয়ে এনসিপি এবং নাগরিক ঐক্য আবেদন করা নিয়ে সিইসি বলেন, “আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি- শাপলা প্রতীক কারো কাছেই দেওয়া হবে না। কারণ এটি জাতীয় ফুল এবং আইনি কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।”

দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ফিরিয়ে দেওয়ার কারণ হিসেবে সিইসি জানান, “সুপ্রিম কোর্টের রায়ে জামায়াতের নিবন্ধন স্থগিত হলেও এখন তারা পুনরায় স্ট্যাটাস পেয়েছে। যেহেতু প্রতীকসহ নিবন্ধন বাতিল হয়েছিল, তাই প্রতীকসহই তাদের রেজিস্ট্রেশন ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

আপনি যখন এই পদে থেকে বিদায় নেবেন তখন আপনার লিগেসিটা কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এখানে আমি বলবো যে জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে এটাকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। আমি চিন্তা করেছি যে শেষ বয়সে এসে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে, ক্রিটিক্যাল সিচুয়েশনে দায়িত্বটা নিয়ে যদি আমি চেষ্টা করি দেশকে কিছু দিয়ে যেতে চাই। সেটাই হচ্ছে আমার মেজর কনসিডারেশন। আমি হাসিমুখে ঢুকেছি, হাসিমুখে যেতে চাই এবং সেটার জন্য দেশবাসীর সহযোগিতা চাই। সবার সহযোগিতা নিয়ে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে আরম্ভ করে, প্রশাসন থেকে আরম্ভ করে সবার সহযোগিতা নিয়ে আমার হাসির ব্যবস্থাটা হবে ইনশাআল্লাহ।”

স্বদেশ প্রতিদিন/এমএএম


আরও সংবাদ   বিষয়:  নির্বাচন   সিইসি  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close