প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫, ৫:০১ পিএম আপডেট: ১০.০৭.২০২৫ ৫:০৬ PM

চলমান সংকট নিরসনে ৩ দাবি শিক্ষর্থীদের।
বাংলাদেশের ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ব্যবস্থার চলমান সংকট নিরসনে তিন দফা দাবি উত্থাপন করেছে ইউনানি ও আয়ুর্বেদ অনুষদের শিক্ষার্থীরা।
গতকাল বুধবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশ ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিসিন বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত দাবি পেশ করেন তারা।
চিঠিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশ ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক অধ্যাদেশ ১৯৮৩” এখনো কার্যকর রয়েছে, এবং এই আইনের পূর্ণ বাস্তবায়ন দাবি করেন তারা।
তারা বলেন, “আইন অনুযায়ী, ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো বাংলাদেশ ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিসিন বোর্ড। কিন্তু স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় গত ৩০ জুন যে মতামত পরিবর্তন করে বোর্ডের পরিবর্তে অন্য একটি দপ্তরকে নিবন্ধন প্রদানের দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নেয়, তা আইন পরিপন্থী ও বৈষম্যমূলক।”
তাদের দাবি অনুযায়ী তিনটি প্রধান দিক তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো হলো- ১৯৮৩ সালের অধ্যাদেশের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকরা সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে আইনি স্বীকৃতি পেতে পারে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করা চিকিৎসকদের বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত বৈধ নিবন্ধনের স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে হবে। এই বিষয়ে বৈষম্যের বিরুদ্ধে অধ্যাদেশের ৩২(১) ও ৩২(২) ধারা অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, “২০২৪ সালে নিবন্ধন বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমাদের অনেক ভাই রক্ত দিয়েছে। আজকে বোর্ডের বৈধতা হঠাৎ প্রশ্নবিদ্ধ করা সেই ত্যাগের প্রতি অবমাননা।”
তারা আরো বলেন, “দাবি মানা না হলে প্রয়োজনে বৃহত্তর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো।”
তবে, এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিসিন বোর্ডের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএএম