
সংগৃহীত ছবি
মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সিইও বিল গেটস। যিনি একসময় বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনীদের একজন ছিলেন, এখন তার নাম শীর্ষ ১০ ধনীর তালিকায় নেই।
আজ মঙ্গলবার (৮ জুলাই) ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার ইনডেক্সে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিল গেটসের মোট সম্পদ হ্রাস পাওয়ায় তিনি বর্তমানে তালিকার ১২তম স্থানে নেমে এসেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, “সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী বিল গেটসের মোট সম্পদ ১৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলার থেকে কমে ১২ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে নেমে এসেছে।”
ব্লুমবার্গের প্রকাশিত তালিকায় বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছেন ইলন মাস্ক, যার সম্পদের পরিমাণ ৩৬ হাজার ১০০ কোটি ডলার। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ (২৫,৪০০ কোটি ডলার), আর তৃতীয় স্থানে আছেন ল্যারি এলিসন (২৫,৩০০ কোটি ডলার)।
এ তালিকায় এরপর রয়েছেন, জেফ বেজোস (২৪,৪০০ কোটি), স্টিভ বালমার (১৭,২০০ কোটি), ল্যারি পেইজ (১৬,৩০০ কোটি), বেরনার্ড আর্নল্ট (১৬,১০০ কোটি), সের্গেই ব্রেইন (১৫,৪০০ কোটি), ওয়ারেন বাফেট (১৪,৬০০ কোটি), জেনসেন হুয়াং (১৩,৯০০ কোটি), এবং মাইকেল ডেল (১৩,৮০০ কোটি ডলার)। একসময় বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের একজন ছিলেন মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। তবে এবার তিনি তালিকায় ১২তম অবস্থানে রয়েছেন, যার মোট সম্পদের পরিমাণ ১২,৪০০ কোটি ডলার।
তালিকার ৫ম স্থানে থাকা স্টিভ বালমার একসময় মাইক্রোসফটে বিল গেটসের অধঃস্তন হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গেটসের অবসরের পর তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হন।
সম্পদের দিক থেকে একসময় যাদের থেকে এগিয়ে ছিলেন বিল গেটস, এখন তাদের চেয়েও পিছিয়ে পড়েছেন তিনি। এমনকি তার সাবেক অধঃস্তন স্টিভ বালমারও এখন সম্পদের দিক থেকে তার চেয়ে অনেক এগিয়ে।
ব্লুমবার্গ জানায়, বিল গেটসের সম্পদ কমে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো তার দানশীলতা। তিনি গেটস-মেলিন্ডা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে বহু বছর ধরে বিপুল পরিমাণ অর্থ অনুদান দিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে করোনা টিকা গবেষণায়ও তিনি বড় অঙ্কের অর্থ সহায়তা করেছেন।
এছাড়া মাইক্রোসফটের প্রফিট শেয়ারিং নীতির পরিবর্তনের ফলে স্টিভ বালমার কোম্পানি ছাড়ার পরও চার শতাংশ শেয়ারের মালিকানা ধরে রাখতে সক্ষম হন। অন্যদিকে, বিল গেটস এমন কোনো সুবিধা পাননি।
উল্লেখ্য, বিল গেটসের বিদায়ের পর মাইক্রোসফটের শীর্ষ নির্বাহী হন বালমার এবং ২০১৪ সালে তিনি এই পদ থেকে অবসর নেন।
সূত্র: ব্লুমবার্গ
স্বদেশ প্রতিদিন/ এমএএম