প্রকাশ: সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫, ৬:১৮ পিএম

জোর পূর্বক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বান্দরবান জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে।
বান্দরবান সদর উপজেলার বাঘমারা বাজারে বাজার ফান্ডের ইজারাদার কর্তৃক টোল টেক্স আদায়ের নামে রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী বিভিন্ন মালামাল পরিবহনকারী যানবাহন থেকে জোর পূর্বক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বান্দরবান জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে।
আজ সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে বান্দরবান প্রেসক্লাবের সামনে বাঘমারা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, মানববন্ধনে বাঘমারা এলাকার ব্যবসায়ী, স্থানীয় বাসিন্দাসহ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “আমরা স্থানীয়দের বিগত ২৫-৩০ পর্যন্ত মালামাল বান্দরবানে আনতে কোন ধরনের টেক্স দিতে হয় নাই। স¤প্রীতি টোল-টেক্সের নামে বান্দরবান জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও তার সঙ্গীরা জোর পূর্বক টেক্স আদায়ের নামে প্রতিটি গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় করে আসছে।”
বক্তারা আরো বলেন, “যদি জেলা পরিষদ থেকে বাজার ইজারা দেয়া হয় তাহলে বাজারে বিক্রি করা মালামাল থেকে টেক্স উত্তোলন করবে, কিন্তু তা না করে বাজারের উপর দিয়ে মালামাল বহনকারী গাড়ি থেকে (যা বাজারে বিক্রি বা নামানো হয় না) এমনকি ছোট পরিবহণ থেকেও বেপরোয়া ও অতিরিক্ত হারে টোল আদায়ের নামে দলীয় লোকজন নিয়ে চাঁদাবাজির মত জোরপূর্বক টোল টেক্স আদায় করছে। যা সম্পূর্ণভাবে অনৈতিক, আইনবিরোধী ও খুবই দুঃখজনক ঘটনা। এ ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে এলাকার সাধারণ ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তাই দ্রুত এ ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের নিকট আহ্বান জানান বক্তারা।”
বাগমারা বাজারের ব্যবসায়ী মো. আবুল কাশেম জানান, আমরা এলাকার জনসাধারণ স্মারকলিপি’সহ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থান জামা লুসাই মহোদয়ের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি বলেছেন, আগের নিয়মেই টোল-ট্যাক্স আদায় করা হবে। বাড়তি কোনো টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন বলে তিনি আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন।