প্রকাশ: সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫, ৯:৩৪ AM

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ফের বেড়েছে।
রবিবার (২২ জুন) আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি পৌঁছেছে ৮০ ডলার, যা আগের তুলনায় ৩.৯ শতাংশ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ক্রুড ওয়েলের দাম দাঁড়িয়েছে ৭৭ ডলার, বেড়েছে ৪.৩ শতাংশ।
তেলের এই দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচারের দাম ০.৬ শতাংশ কমেছে। মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের দামও সামান্য কমেছে।
ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে তেলের দামে ওঠানামা তৈরি করেছে। এর প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও। কখনো যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় তেলের দাম বাড়ছে, আবার কখনো উত্তেজনা কমে যাওয়ায় তা কমছে।
বিশ্বের বড় তেল উৎপাদক দেশগুলোর একটি ইরান। দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা, ‘হরমুজ প্রণালী’-এর পাশেই অবস্থিত। এই প্রণালীর মাধ্যমেই বিশ্বের বড় একটি অংশের জ্বালানি তেল পরিবহন হয়।
এই প্রণালী গতকাল বন্ধ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। আর তাতেই তেলের বাজারে রীতিমতো আগুন লেগে গেছে। আর এর প্রভাবটা এখনই টের পেতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির শেয়ারবাজারে বড় ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে এবার।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক সংঘর্ষ এবং তেলের সরবরাহ ঝুঁকির খবর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভীতি তৈরি করছে। ফলে তারা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে সরে এসে নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছেন।
বিশ্বব্যাপী পণ্য পরিবহন, উৎপাদন খরচ এবং মুদ্রাস্ফীতির ওপর এর বড় প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলোর জন্য এটি আর্থিক চাপের নতুন কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম