নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ পুলিশ সদস্য সাইফুল ইসলামের (২৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছে তিন বছর বয়সী রোহিঙ্গা শিশু তামিম।
সোমবার (২ জুন) বিকেলে হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নের দরবেশ বাজারসংলগ্ন মেঘনার পাড়ে মরদেহটি ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে হাতিয়া থানা পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত সাইফুল ইসলাম লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চরশাহী গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পুলিশের কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।
এর আগে রোববার (১ জুন) দুপুরে একই ঘটনায় নিখোঁজ রোহিঙ্গা নারী হাসিনা খাতুনের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজমল হুদা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (৩১ মে) বিকেলে ভাসানচর থেকে জনতা বাজার ঘাটের উদ্দেশে ৩৯ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার যাত্রা করে। যাত্রীদের মধ্যে পুলিশ সদস্য, রোহিঙ্গা রোগী, আনসার সদস্য এবং বিভিন্ন এনজিও সংস্থার কর্মীরা ছিলেন।
পথে করিম বাজার এলাকার কাছে প্রবল স্রোত ও ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় ৩৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে এক নারী ও এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ। এখনও নিখোঁজ রয়েছে শিশুটি।
নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারে কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/কেএইচ