বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
চট্টগ্রাম বন্দরে জমেছে ৮ হাজার কনটেইনার
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫, ১২:১৬ পিএম

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে কর্মকর্তাদের টানা প্রায় ১২ দিন কলমবিরতির কারণে পণ্য শুল্কায়নসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য খালাস কমে গিয়ে ইয়ার্ডে অতিরিক্ত ৮ হাজার কনটেইনার জমে যায়। এতে আমদানিকারকরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন।

গত রোববার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হলে সোমবার থেকে কাস্টম হাউজে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে।

কলমবিরতির কারণে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে প্রতিদিন ৭ হাজারেরও বেশি ডকুমেন্ট জমা পড়লেও, কর্মবিরতির সময়ে তা অর্ধেকে নেমে আসে। এতে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে বিলম্ব ঘটে, যার প্রভাব পড়ে বন্দর কার্যক্রমে। বন্দর কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়ে কনটেইনার খালাস না নিলে চারগুণ স্টোর রেন্ট আরোপের ঘোষণা দেয়, যা ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।

কলমবিরতির কারণে পণ্য খালাস করতে না পারায় ব্যবসায়ীরা স্টোর রেন্টের আওতায় পড়েন। বন্দর কর্তৃপক্ষের চারগুণ স্টোর রেন্ট আরোপের ফলে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা স্টোর রেন্ট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হলে সোমবার থেকে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। এতে আমদানি-রপ্তানিকারক, তাদের প্রতিনিধি ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের উপস্থিতিতে কাস্টম হাউজ গমগম করছে। ব্যবসায়ীরা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের উপকমিশনার সাইদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, “কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজেও কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। এ কারণে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে সোমবার থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে।”

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে প্রতিদিন আমদানি-রপ্তানি মিলে ৭ হাজার ডকুমেন্ট জমা পড়ে। কলমবিরতি চলাকালে এ সংখ্যা অর্ধেকেরও কমে নেমে এসেছিল। এতে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে বিলম্ব ঘটে, যার প্রভাব পড়ে বন্দর কার্যক্রমে।

এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা স্টোর রেন্ট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, কলমবিরতির কারণে পণ্য খালাসে বিলম্ব হওয়ায় তাদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, যা স্টোর রেন্টের মাধ্যমে আরও বাড়ছে।

রোববার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হলে সোমবার থেকে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। এতে আমদানি-রপ্তানিকারক, তাদের প্রতিনিধি ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের উপস্থিতিতে কাস্টম হাউজ গমগম করছে। ব্যবসায়ীরা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের উপকমিশনার সাইদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, “কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজেও কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। এ কারণে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে সোমবার থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে।”

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে প্রতিদিন আমদানি-রপ্তানি মিলে ৭ হাজার ডকুমেন্ট জমা পড়ে। কলমবিরতি চলাকালে এ সংখ্যা অর্ধেকেরও কমে নেমে এসেছিল। এতে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে বিলম্ব ঘটে, যার প্রভাব পড়ে বন্দর কার্যক্রমে।

এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা স্টোর রেন্ট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, কলমবিরতির কারণে পণ্য খালাসে বিলম্ব হওয়ায় তাদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, যা স্টোর রেন্টের মাধ্যমে আরও বাড়ছে।

রোববার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হলে সোমবার থেকে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। এতে আমদানি-রপ্তানিকারক, তাদের প্রতিনিধি ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের উপস্থিতিতে কাস্টম হাউজ গমগম করছে। ব্যবসায়ীরা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের উপকমিশনার সাইদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজেও কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। এ কারণে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে সোমবার থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে।’

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে প্রতিদিন আমদানি-রপ্তানি মিলে ৭ হাজার ডকুমেন্ট জমা পড়ে। কলমবিরতি চলাকালে এ সংখ্যা অর্ধেকেরও কমে নেমে এসেছিল। এতে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে বিলম্ব ঘটে, যার প্রভাব পড়ে বন্দর কার্যক্রমে।

এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা স্টোর রেন্ট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, কলমবিরতির কারণে পণ্য খালাসে বিল।

স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম

আরও সংবাদ   বিষয়:  চট্টগ্রাম বন্দরে জমেছে ৮ হাজার কনটেইনার  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close