
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে কর্মকর্তাদের টানা প্রায় ১২ দিন কলমবিরতির কারণে পণ্য শুল্কায়নসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য খালাস কমে গিয়ে ইয়ার্ডে অতিরিক্ত ৮ হাজার কনটেইনার জমে যায়। এতে আমদানিকারকরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন।
গত রোববার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হলে সোমবার থেকে কাস্টম হাউজে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে।
কলমবিরতির কারণে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে প্রতিদিন ৭ হাজারেরও বেশি ডকুমেন্ট জমা পড়লেও, কর্মবিরতির সময়ে তা অর্ধেকে নেমে আসে। এতে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে বিলম্ব ঘটে, যার প্রভাব পড়ে বন্দর কার্যক্রমে। বন্দর কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়ে কনটেইনার খালাস না নিলে চারগুণ স্টোর রেন্ট আরোপের ঘোষণা দেয়, যা ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।
কলমবিরতির কারণে পণ্য খালাস করতে না পারায় ব্যবসায়ীরা স্টোর রেন্টের আওতায় পড়েন। বন্দর কর্তৃপক্ষের চারগুণ স্টোর রেন্ট আরোপের ফলে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা স্টোর রেন্ট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
রোববার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হলে সোমবার থেকে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। এতে আমদানি-রপ্তানিকারক, তাদের প্রতিনিধি ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের উপস্থিতিতে কাস্টম হাউজ গমগম করছে। ব্যবসায়ীরা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের উপকমিশনার সাইদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, “কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজেও কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। এ কারণে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে সোমবার থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে।”
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে প্রতিদিন আমদানি-রপ্তানি মিলে ৭ হাজার ডকুমেন্ট জমা পড়ে। কলমবিরতি চলাকালে এ সংখ্যা অর্ধেকেরও কমে নেমে এসেছিল। এতে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে বিলম্ব ঘটে, যার প্রভাব পড়ে বন্দর কার্যক্রমে।
এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা স্টোর রেন্ট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, কলমবিরতির কারণে পণ্য খালাসে বিলম্ব হওয়ায় তাদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, যা স্টোর রেন্টের মাধ্যমে আরও বাড়ছে।
রোববার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হলে সোমবার থেকে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। এতে আমদানি-রপ্তানিকারক, তাদের প্রতিনিধি ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের উপস্থিতিতে কাস্টম হাউজ গমগম করছে। ব্যবসায়ীরা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের উপকমিশনার সাইদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, “কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজেও কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। এ কারণে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে সোমবার থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে।”
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে প্রতিদিন আমদানি-রপ্তানি মিলে ৭ হাজার ডকুমেন্ট জমা পড়ে। কলমবিরতি চলাকালে এ সংখ্যা অর্ধেকেরও কমে নেমে এসেছিল। এতে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে বিলম্ব ঘটে, যার প্রভাব পড়ে বন্দর কার্যক্রমে।
এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা স্টোর রেন্ট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, কলমবিরতির কারণে পণ্য খালাসে বিলম্ব হওয়ায় তাদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, যা স্টোর রেন্টের মাধ্যমে আরও বাড়ছে।
রোববার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হলে সোমবার থেকে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। এতে আমদানি-রপ্তানিকারক, তাদের প্রতিনিধি ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের উপস্থিতিতে কাস্টম হাউজ গমগম করছে। ব্যবসায়ীরা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের উপকমিশনার সাইদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজেও কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। এ কারণে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে সোমবার থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে।’
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে প্রতিদিন আমদানি-রপ্তানি মিলে ৭ হাজার ডকুমেন্ট জমা পড়ে। কলমবিরতি চলাকালে এ সংখ্যা অর্ধেকেরও কমে নেমে এসেছিল। এতে পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাসে বিলম্ব ঘটে, যার প্রভাব পড়ে বন্দর কার্যক্রমে।
এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা স্টোর রেন্ট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, কলমবিরতির কারণে পণ্য খালাসে বিল।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম