প্রকাশ: শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫, ৭:২০ পিএম

যশোর শহরের হক কোচিং সেন্টারে ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও শিক্ষক এমদাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ছাত্রীটির মা-বাবা ও স্থানীয় আরও প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন অভিভাবক হক কোচিং সেন্টারে গিয়ে এমদাদ হোসেনের ওপর চড়াও হন। তারা তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করার চেষ্টা করলে কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীরা তাতে বাধা দেয়। একপর্যায়ে অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১২ মে) দুপুরে কোচিং চলাকালে একসময় অন্যান্য শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির সুযোগে শিক্ষক এমদাদ ছাত্রীটিকে একা পেয়ে জড়িয়ে ধরেন। ঘটনার শিকার শিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তার মা-বাবাকে জানালে, তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং প্রতিবাদ জানানোর সিদ্ধান্ত নেন। পরে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর যশোর জেলা আহ্বায়ক রাশেদ খান উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। তার মধ্যস্থতায় ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক ও কোচিং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি আপাতত স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়। তবে অনেক অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিক এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কোচিং সেন্টারে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি আবুল হাসনাত বলেন, “ঘটনাস্থলে পুলিশ তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি, তবে লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্বদেশ প্রতিদিন/আইএমএস