প্রকাশ: সোমবার, ১২ মে, ২০২৫, ১০:২৭ পিএম

যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভাষণে তিনি বলেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতকে সাহায্য করার বদলে পাকিস্তান উল্টো ভারতকে আক্রমণ করেছে।
মোদি বলেন, ২২শে এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে এক নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত চেয়েছিল সন্ত্রাস দমনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা। কিন্তু পাকিস্তান সেই সুযোগে ভারতেই হামলা চালায়।
৭ই মে ভোরে ভারতের পাল্টা হামলার কথা তুলে ধরে মোদি জানান, ভারত নির্ভুলভাবে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে আঘাত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে লস্কর-ই-তৈয়বার মুরিদকেতের সদর দপ্তর এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের বাহাওয়ালপুরের কেন্দ্র। মোদি এই ঘাঁটিগুলিকে “সন্ত্রাসের বৈশ্বিক বিশ্ববিদ্যালয়” বলে উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই অভিযানে ১০০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। যারা দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছিল।
তিনি বলেন, এই আঘাতে পাকিস্তান হতভম্ব হয়ে যায় এবং আরও একটি বড় ভুল করে- ভারতের বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। স্কুল, কলেজ, মন্দির, গুরুদ্বারসহ সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ছিল তাদের নিশানায়।
তবে মোদি জানান, ভারতের আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেই হামলাগুলো রুখে দিয়েছে। পাকিস্তানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আকাশেই ধ্বংস হয়েছে। বিশ্ব দেখেছে, কে সন্ত্রাসের পাশে আর কে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।
সূত্র: এনডিটিভি
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম