প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ মে, ২০২৫, ৪:২৯ পিএম

স্বৈরাচারী শাসন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও সাধারণ জনগণ। সবার পক্ষ থেকে উঠা এই দাবিকে সরকার গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে।
ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে এ ব্যাপারে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। দ্রুতই তাদের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
শুক্রবার (৯ মে) দুপুরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.ইউনূসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আওয়ামী নেতা ও এর সমর্থকদের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিষয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদন বিবেচনায় রাখছে সরকার। সে পর্যন্ত সকলকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে সরকার জনদাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রচলিত আইনের অধীনে সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করেছে।
এছাড়া, মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষে থেকে।
ফ্যাসিবাদী সরকারের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদের বিদেশ গমন সম্পর্কে জনমনে
তৈরি ক্ষোভের বিষয়ে সরকার অবগত। এ ঘটনার সাথে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা নিতে সরকার বদ্ধপরিকর রয়েছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার (৭ মে) গভীর রাতে চুপিসারে আওয়ামী আমলের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের দেশত্যাগের প্রেক্ষাপটে দলটির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জোরদার হয়। এক্ষেত্রে জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্লাটফর্ম প্রশ্ন তুলেছে সরকারের সদিচ্ছার বিষয়ে।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাত থেকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। এছাড়াও শুক্রবার (৯ মে) জুমার নামাজের পর সেখানে শুরু হয়েছে সমাবেশও।
স্বদেশ প্রতিদিন/আইজেপি