প্রকাশ: রবিবার, ৪ মে, ২০২৫, ৪:১৯ পিএম

ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে সফল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী।
গতকাল শনিবার (০৩ মে) ইয়েমেনের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারিয়ি এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনের নিপীড়িত জনগণের প্রতি সংহতি ও গাজায় মার্কিন-সমর্থিত ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে অধিকৃত ইয়াফা (তেল আবিব) এলাকায় একটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সফল হামলা চালানো হয়েছে।’
গতকাল শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ফিলিস্তিনের নির্যাতিত জনগণের প্রতি সমর্থন ও গাজায় মার্কিন-সমর্থিত ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী অধিকৃত ইয়াফা (তেল আবিব) এলাকার একটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
তিনি বলেন, এই অভিযানে ‘ফিলিস্তিন-২’ হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেদ করে সফলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
ইয়াহিয়া সারিয়ি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘সমগ্র মুসলিম উম্মাহ নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তার পরিণতি ভোগ করবে। গাজায় যা ঘটছে, তার প্রভাব আগে বা পরে অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়বে। শত্রু তার আগ্রাসন বিস্তৃত করবেই। তাই সকলের উচিত নিরাপত্তার জন্য, হুমকি আসার আগেই গাজাকে সমর্থন করা।’
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘গাজায় আগ্রাসন ও অবরোধ অবসান না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।’
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, শনিবার ভোরে ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর জেরুজালেম, তেল আবিব ও নেগেভসহ শতাধিক এলাকায় সাইরেন বাজানো হয়। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে।
প্রসঙ্গত, ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ সমর্থিত বাহিনী গত কয়েক মাস ধরেই ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইসরায়েলি ও সমর্থক লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে আসছে। এই ধারাবাহিক হামলা ইসরায়েল ও পশ্চিমা মিত্রদের জন্য নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
সূত্র : পার্সটুডে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম