প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৪ পিএম আপডেট: ২২.০৪.২০২৫ ৭:৪৩ PM

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ফেসবুক লাইভে এসে হাতুড়ি দিয়ে পেটানোর ঘটনার ১১ দিন পর মারা গেছেন বিএনপি নেতা শান্ত সরকার। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বজন ও এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন করেছেন।
গত ১১ এপ্রিল দাউদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আসাদ ফকির ফেসবুক লাইভে এসে শান্ত সরকারকে হাতুড়ি দিয়ে পেটান বলে অভিযোগ। তার সঙ্গে ছিলেন নাঈম ফকির, রানা ফকির, সিয়াম, অলিউল্লাহ, হাবিবুল্লাহ, অনিক ফকির, এনায়েত ফকির, রাজিব ও শাহীন। পরে শান্তকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ১১ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত রাতে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।
আজ মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১০ টার দিকে নিহত শান্ত সরকারের লাশ নিয়ে গাজীপুর-মদনপুর বাইপাস সড়কের কালনী এলাকায় বিক্ষোভ করে স্বজনরা। এতে অংশ নেয় বিএনপির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা, অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
মানববন্ধনে নিহতের মা কহিনুর বেগম, বাবা জসিম সরকার, চাচা সালাউদ্দিন সরকার, মামা শাহীন সরকার, বিএনপি নেতা বেলায়েত হোসেন আকন্দ ও হুমায়ূন কবির মিঠু বক্তব্য রাখেন।
তারা জানান, শান্ত হত্যায় জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। শান্তর লাশ দাফন করা হবে না যতক্ষণ না আসামিদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।
পরে পুলিশের আশ্বাসে বিক্ষোভকারীরা শান্ত সরকারের লাশ দাফনের সিদ্ধান্ত নেন। সকাল ১১ টার দিকে তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।
রূপগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত আলী বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং শান্তর মৃত্যুর পর তা হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হচ্ছে। পুলিশ আসামিদের গ্রেফতারে কাজ করছে।’
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম