প্রকাশ: সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ৪:৫৬ পিএম

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনটা ছিল একধরনের দোলাচলের। কখনো বাংলাদেশের দাপট, কখনো জিম্বাবুয়ের লেজের প্রতিরোধ। দিনের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত, ৫৫তম ওভারে শন উইলিয়ামসের আত্মঘাতী শট। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে লং অফ দিয়ে ছক্কা মারতে গিয়ে ৫৯ রানে ফিরতে হলো তাকে। অথচ ওই সময় জিম্বাবুয়ের ইনিংসের হাল ধরেছিলেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটারই।
প্রথম ইনিংসে ২ রানে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ তখন স্বপ্ন দেখছিল দ্রুত জিম্বাবুয়েকে অলআউট করার। কিন্তু উইলিয়ামসের বিদায়ের পরও লেজের ব্যাটসম্যানরা হতাশ করেছেন স্বাগতিকদের। নিয়াশা মায়াভোর ৩৫, এনগারাভার অপরাজিত ২৮ আর মুজারাবানির ১৭ রানে জিম্বাবুয়ে পায় ৮২ রানের লিড।
মেহেদী হাসান মিরাজ আবারও প্রমাণ করেছেন কেন তিনি দলের নির্ভরযোগ্য স্পিন অস্ত্র। টেস্ট ক্যারিয়ারে ১১তম পাঁচ উইকেটের কীর্তি গড়েছেন তিনি। তবে তাকে ভালই সহায়তা করেছেন পেসাররা। দিনের শুরুতে নাহিদ রানার দুর্দান্ত স্পেলেই কাঁপে জিম্বাবুয়ে। ফেরান দুই ওপেনার বেন কারেন ও ব্রায়ান বেনেটকে। এরপর অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিনকেও বিদায় করেন লাঞ্চের আগে।
তিন নম্বরে নামা নিকোলাস ওয়েলচকে দারুণ এক ইনসুইং ডেলিভারিতে বোল্ড করেন হাসান মাহমুদ। খালেদ আহমেদ ছিলেন সবচেয়ে ইকোনমিকাল, ফেরান ওয়েসলি মাধেভেরেকে।
তবে দিনটা হতে পারত বাংলাদেশের। যদি উইলিয়ামস আরও ধৈর্য ধরতেন, মনোযোগ না হারাতেন। ২০১৮ সালে এই সিলেটেই বাংলাদেশের বিপক্ষে ৮৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। আজ হয়তো আরেকটি স্মরণীয় ইনিংস হতে পারত। কিন্তু সেটি আর হয়নি, হয়নি জিম্বাবুয়ের লিড আরও বড় হওয়াও।
তবুও জিম্বাবুয়ের লোয়ার অর্ডার দিয়েছে শক্ত বার্তা, তাদের লড়াইটা এখনো বাকি।
স্বদেশ প্রতিদিন/এএএম