প্রকাশ: শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫, ৮:২৯ পিএম আপডেট: ১১.০৪.২০২৫ ৮:৫৯ PM

টাঙ্গাইলে তৃতীয় শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযোগে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মো. রফিকুল ইসলাম আমিনীর ছোট ছেলে মো. রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে রুমন (২০) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) দুপুর ১২ টার দিকে দিনাতুল উলুম আমিনিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার অফিস রুমে এই ঘটনা ঘটে।
জানা যায় ওই শিক্ষার্থী দিনাতুল উলুম আমিনিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার মক্তব বিভাগের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। ওই শিক্ষার্থীর বয়স ১১ বছর বচর।
ভুক্তভোগী শামীম, উপজেলার ভাতশালা গ্রামের প্রবাসী ইমারতের ছেলে। ঘটনার পরদিন, ভুক্তভোগীর মা মোছা. ছাবিনা আক্তার (৩৭) নাগরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে বলা হয়, ‘গতকাল ১০ এপ্রিল দুপুর আনুমানিক ১২ টার দিকে রিজওয়ান শিশুটিকে অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে তার পিঠ মাসাজ করতে বলে। এরপর মুখ চেপে ধরে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক বলৎকার করে। পরে শিশুটিকে কাউকে কিছু না বলার হুমকি দিয়ে গোসল করতে বলে। এর দুই ঘণ্টা পর, দুপুর ২টার দিকে, আবারও একইভাবে শিশুটিকে বলৎকার করে রিজওয়ান।’
নাগরপুর থানা পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যেই অভিযুক্ত রিজওয়ানকে আটক করে। থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে রিজওয়ান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। জানা যায়, সে ঢাকার ধামরাইয়ের ডাউটিয়া এলাকার একটি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
১১ এপ্রিল শুক্রবার সকালে তাকে টাঙ্গাইল আদালতে সোপর্দ করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান স্যারের নির্দেশনায় তদন্ত শুরু করি। দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলা রুজু করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।’
এই নৃশংস ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম