প্রকাশ: বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫, ২:০৪ পিএম

ভোলার তজুমদ্দিনে পাওনা টাকা চাওয়ায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী মোঃ ইব্রাহীম মিয়া ও তার পরিবারের ওপর বর্বর হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী পরিবার।
মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুরে তজুমদ্দিন প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী ইব্রাহীম মিয়া অভিযোগ করেন, দুই মাস আগে তার দোকানে ৫ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকার স্বর্ণের অর্ডার দেন পাশের হোমিও ঔষধ ব্যবসায়ী আবু জাফর। অর্ডার নেওয়ার সময় ১ লক্ষ টাকা এবং মালামাল গ্রহণের সময় ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন জাফর।
ইব্রাহিম মিয়া জানান, ২ মার্চ, বাকী টাকা চাওয়ার পর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন আবু জাফর। পরে ওইদিন বিকালে, আসরের নামাজ পড়ে দোকানে ফিরে আবু জাফরের নেতৃত্বে তার আত্মীয়-স্বজনসহ ১৫ থেকে ২০ জনের একটি গ্রুপ তার দোকানে হামলা চালায়। স্বর্ণ ব্যবসায়ী ইব্রাহীম মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা হামলার শিকার হন। হামলায় তার স্ত্রী জবেদা সুলতানা পিনু, ছেলে ইমরান হোসেন হৃদয় ও মেয়ে রহিমা আক্তার মিতুও আহত হন।
ইব্রাহিম মিয়া আরও জানান, হামলার পর আবু জাফর তাকে আরও দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সহায়তায় তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় তজুমদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন ইব্রাহিম মিয়া। এরপর তিনি ভোলা কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারকে নিয়মিত হুমকি প্রদান করছে বলে জানান তিনি। অভিযুক্ত আবু জাফর, এক সময় তজুমদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের ছত্রছায়ায় ছিলেন, তবে বর্তমানে তিনি এলাকার এক বিএনপি নেতার আশ্রয়ে থেকে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে তজুমদ্দিন থানার এসআই অসিম জানান, "মুচিবাড়ির কোনায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী ইব্রাহীম মিয়ার উপর হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
স্বদেশ প্রতিদিন/এমআর