প্রকাশ: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৭:০৯ পিএম

ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া জেলার সীমান্তবর্তী গড়াই নদীতে গত এক মাস ধরে কুমিরের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। কখনো একটি, কখনো তিনটি কুমির নদী তীরে ভাসতে দেখা যাচ্ছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এ কারণে স্থানীয়রা গোসল করতে, গরু-ছাগল গোসল করাতে ও অন্যান্য দৈনন্দিন কাজ করতে ভয় পাচ্ছেন।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের কেওয়া গ্রামের মোহনের ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কুমির দেখতে নদী পাড়ে অপেক্ষা করছেন স্কুল শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দর্শনার্থীরা।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় এক মাস ধরে গড়াই নদীতে প্রতিদিন কুমির দেখা যাচ্ছে। কখনো একটি, আবার কখনো তিনটি কুমির নদীতে ভাসতে দেখা গেছে। এতে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন, কারণ নদীতে গোসল, জামা কাপড় ধোয়া এবং অন্যান্য কাজ করাটা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
তারা আরও বলেন, নদীতে পানি বেশি ছিল যখন কুমির এসেছিল, কিন্তু এখন নদীর পানি কমে গেছে, তাই প্রতিদিনই কুমিরের দেখা মিলছে। কুমির দেখতে লোকজন নদী পাড়ে ভিড় করছেন।
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস.এম আবু দারদা জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি শুনেছেন এবং সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। তবে কুমির দেখতে না পেলেও তিনি কয়েকটি ভিডিও দেখে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেছেন। ইউএনও আরও জানান, কুমির সনাক্তকরণের জন্য তিনি উপজেলা বন বিভাগের কাছে লিখিতভাবে অবগত করেছেন।
এদিকে, স্থানীয়রা সরকারের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানিয়েছেন, যেন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং আতঙ্কের অবসান ঘটে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমআর