মঙ্গলবার ● ৩ নভেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● জাজিরার নাওডোবায় মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সৃজন করে হয়রানির অভিযোগ      ● পবিত্র ওমরাহ পালনে আনসার-ভিডিপির ২০২৬ কাফেলার আনুষ্ঠানিক শুভযাত্রা      ● ঢাকার রাস্তায় শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএসসিসি এলাকায় ই-রিকশা নিবন্ধন শুরু      ● সিংড়ায় চলনবিল সংরক্ষণে মতবিনিময় সভা      ● আদালত চত্বর থেকে আ.লীগ নেতা রাসেল গ্রেপ্তার      ● হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু      ● অপহৃত হৃদয়ন আনসারী ১০ দিন পর উদ্ধার      ● ঢাবির ৮ শিক্ষার্থী পেলেন হোসনে আরা হায়দার কোরাইশী ট্রাস্ট বৃত্তি      ● শিল্পাঞ্চলে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, ড্রোনে নজরদারি      ● বালিয়াকান্দিতে ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ২      ● পটুয়াখালীতে বাড়ি নির্মাণে বাধা দিয়ে চাঁদা দাবি, নারীসহ আহত ৪      ● সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় চালক ও হেলপারের যাবজ্জীবন কারাদন্ড      
জাজিরার নাওডোবায় মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সৃজন করে হয়রানির অভিযোগ
মোঃ মোস্তফা সরদার, শরীয়তপুর
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:২৫ পিএম

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবায় মৃত ব্যক্তির নামে ওসিয়তনামা দলিল সৃজন করে জমি দাবি ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে ইউনুছ ঢালী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। চাচার মৃত্যুর পর এমন দলিলের মাধ্যমে জমি দাবি করে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। এ অবস্থায় আইনি সহযোগিতা কামনা করেছেন তাঁরা।

মৃত খালেক ঢালীর ওয়ারিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাওডোবা ইউনিয়নের কলম ঢালী কান্দি এলাকার বাসিন্দা মৃত কালু ঢালীর ছেলে আব্দুল খালেক ঢালী ১৯৩৭ সালের ১২ মে জন্মগ্রহণ করেন। ২০১৪ সালের ৩০ অক্টোবর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নাওডোবা ইউনিয়ন পরিষদে নিবন্ধিত রয়েছে। অথচ তাঁর মৃত্যুর প্রায় দুই মাস পর, ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর ইউনুছ ঢালীর নামে একটি ওসিয়তনামা দলিলের মাধ্যমে জমি হস্তান্তরের দাবি করা হয়েছে। ওই দলিলের ভিত্তিতে খালেক ঢালীর ওয়ারিশদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁদের।

খালেক ঢালীর ছেলে ফরিদ ঢালী বলেন, তাঁর বাবা ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া পৈতৃক সম্পত্তি জীবদ্দশায় ভোগদখল করে এসেছেন। তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁরা ওই সম্পত্তিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন। অথচ তাঁর বাবার মৃত্যুর প্রায় ১২ বছর পর ইউনুছ ঢালী দাবি করছেন, তাঁর বাবা নাকি তাঁর কাছে জমি বিক্রি করেছেন। এ দাবিতে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও করা হয়েছে।

ফরিদ ঢালী আরও বলেন, ইউনুছ ঢালী যে জমির মালিকানা দাবি করে মামলা করেছেন, সেই জমির নামজারি ও হালনাগাদ ভূমি উন্নয়ন কর তাঁরা নিয়মিত পরিশোধ করে আসছেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, মামলায় জমি রেজিস্ট্রির যে তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে, তা তাঁর বাবার মৃত্যুর প্রায় দুই মাস পরের ঘটনা। এমন দাবির জেরে তাঁদের নির্মাণাধীন স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আদালত সার্বিক বিবেচনায় তাঁদের পক্ষে রায় দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমানে জমিতে গেলে তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। নির্মাণসামগ্রী নষ্ট হয়ে অপূরণীয় আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। তাঁরা কোনো কাজ করতে পারছেন না।

অভিযোগের বিষয়ে ইউনুছ ঢালী বলেন, তাঁর কাগজপত্র সঠিক রয়েছে। আদালতে দায়ের করা প্রথম মামলায় আইনজীবীর গাফিলতির কারণে ফরিদ ঢালীর পক্ষে রায় হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তিনি আরেকটি মামলা করেছেন। ফরিদ ঢালীও পাল্টা মামলা করেছেন। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

ইউনুছ ঢালীর জামাতা চুন্নু ঢালী বলেন, ফরিদ ঢালী ও ইউনুছ ঢালী চাচাতো ভাই। তাঁদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। এ বিষয়ে কোনো ভুল-বোঝাবুঝি থাকলে দুই পক্ষ এক জায়গায় বসে সমাধান করা সম্ভব। উভয় পক্ষই মামলা-মোকদ্দমা করছেন এবং সাংবাদিকদের সহযোগিতাও চেয়েছেন। এলাকার কেউ দায়িত্ব নিয়ে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছেন না। তিনি চান, সাংবাদিকদের উদ্যোগে দুই পক্ষকে একত্র করে বিষয়টি সমাধান করা হোক, যাতে পারিবারিক সম্পর্ক বজায় থাকে।

এ বিষয়ে পদ্মা দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সালাম বলেন, ফরিদ ঢালী ও ইউনুছ ঢালীর মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মামলা রয়েছে। মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত করছে।






স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি


আরও সংবাদ   বিষয়:  শরীয়তপুর   জাজিরা   নাওডোবা   জমি বিরোধ   ওসিয়তনামা দলিল   মৃত ব্যক্তির নামে দলিল   হয়রানির অভিযোগ   ভূমি বিরোধ   ডিবি তদন্ত  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি : ড. এম এ কাইয়ুম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close