বুধবার ● ২৮ অক্টোবর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● কানসাট বাজারে আম পাওয়া যাচ্ছে এখনো      ● ডেঙ্গুতে মা ও অনাগত সন্তানের মৃত্যু      ● নিজ অর্থায়নে ব্যস্ততম সড়ক সংস্কার      ● টুপটুপে এক পরিবারের নিহত ৪ জনের মরদেহ হস্তান্তর      ● পাঁচ শতাধিক ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাবার দিলো যুবদল      ● আটোয়ারীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২৬ উদযাপন      ● স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৪৬      ● উৎসবমুখর পরিবেশে নতুনকুঁড়ির খেলোয়াড় বাছাই      ● দুর্নীতির মামলায় সাবেক কর কর্মকর্তা শ্যামলের ৫ বছরের কারাদণ্ড      ● সফটওয়্যার ছাড়াই কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর উপায়      ● ৬০ হাজার কর্মীকে চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব মাইক্রোসফটের      ● চায়না শিল্পাঞ্চলের প্রথম কারখানা চালুর লক্ষ্য ১৮ মাসের মধ্যে      
কানসাট বাজারে আম পাওয়া যাচ্ছে এখনো
প্রতিনিধি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৭ পিএম

এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম আম বাজার ‘কানসাট আম বাজার’। এ বাজারের সময় দিন দিন দীর্ঘ হচ্ছে, যা অচিরেই বারোমাসি বাজারে পরিণত হতে যাচ্ছে। প্রতিবছর সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসেই আমের বাজার শেষ হয়ে যায়। অর্থাৎ, সেপ্টেম্বর মাসের পরে আর কানসাট বাজারে আম কেনাবেচা হতো না। কিন্তু এবার অক্টোবরের শেষের দিকেও রীতিমতো আমের বাজার বসছে এবং আম কেনাবেচা হচ্ছে।

আম চাষিরা বলছেন, এখন বারো মাসই আম কেনাবেচা হবে। কারণ, এখন বারো মাসই আমের চাষ হচ্ছে। বছরে কমপক্ষে তিনবার আম ধরছে। ফলে এখন বারো মাসই কানসাট বাজারে আম কেনাবেচা হচ্ছে। বর্তমানেও কানসাট আম বাজারে আম কেনাবেচা হচ্ছে এবং আম বিক্রেতারা সর্বোচ্চ দাম পাচ্ছেন।

কানসাট আম বাজারে আম বিক্রেতা গোমস্তাপুর থেকে আগত আকবর আলী জানান, “আমি সাত ক্যারেট কল্যাণভোগ আম নিয়ে এসেছি। ওজন প্রায় তিন মণ হবে। দাম চেয়েছি ২০ হাজার টাকা মণ। ক্রেতা ১৬ হাজার টাকা বলছে। তবে মণপ্রতি ১৮ হাজার টাকা হলে দিয়ে দিবো। আমার বাগানে আরও ৩০ ক্যারেট অর্থাৎ ১৫ মণ আম আছে, যা আরও এক মাস থাকবে।”

তিনি আরও জানান, “আমি লেখাপড়া শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে ১৬ বিঘা জমি বাৎসরিক বর্গা নিয়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা খরচ করে কানিমন ও কল্যাণভোগ আমের চাষ করেছি। ইতিমধ্যে প্রায় ১২ লাখ টাকার আম বিক্রি করেছি। আরও প্রায় আড়াই লাখ টাকা বাকি আম বিক্রি করে পাবো। আমার পরিবার প্রায় ৪০ বছর ধরে আমের চাষ ও ব্যবসা করে। তবে পূর্বে আধুনিক প্রযুক্তি না থাকায় তেমন লাভ করতে পারা যায়নি।”

ভবানীপুর গ্রামের আব্দুল করিম জানান, “আমি ১০ ক্যারেট অর্থাৎ পাঁচ মণ আশ্বিনা আম নিয়ে এসেছি। দাম চেয়েছি মণপ্রতি ১০ হাজার ৫০০ টাকা। ক্রেতা ৯ হাজার টাকা বলেছে। মণপ্রতি ১০ হাজার টাকার নিচে বিক্রি করবো না। আমার বাগানে আরও ৩০ ক্যারেট আশ্বিনা আম আছে, যা কমপক্ষে ১৫ দিন থাকবে। আম উৎপাদনে মণপ্রতি প্রায় চার হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আমার বাগানে বছরে তিনবার আশ্বিনা আম আসে।”

শিবগঞ্জ বাজারের আম ব্যবসায়ী টিটো ১৫ ক্যারেট কাটিমন আম কানসাট আম বাজারে বিক্রি করতে এসেছেন। তিনি বলেন, “দাম চেয়েছি মণপ্রতি ১৫ হাজার টাকা। ক্রেতা সাড়ে ১২ হাজার টাকা বলেছে। গত কয়েক দিন আগে মণপ্রতি ১২ হাজার ৮০০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। আজ তার চেয়ে বেশি দাম পাবো। এ বছরে ৩৫ বিঘা জমিতে কাটিমন আমের চাষ করেছি।”

শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নয়ন মিয়া বলেন, কাটিমন আম বারো মাসই হচ্ছে। কল্যাণভোগ আমও কাটিমন আমের মতোই চাষ হচ্ছে। তবে আশ্বিনা আম সময়ের ব্যবধানে দীর্ঘদিন পাওয়া যাবে। তবে বারো মাসই পাওয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আম উৎপাদনে উত্তরবঙ্গের মধ্যে শ্রেষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। তাছাড়া শিবগঞ্জে সবসময় আম পাওয়া যাচ্ছে। দামও ভালো। আম চাষ ও ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হওয়ার সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে।






স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি : ড. এম এ কাইয়ুম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close