প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৯ AM

দুর্গাপূজার টানা পাঁচ দিনের ছুটির আমেজ কাটেনি রাজধানী ঢাকায়। অনেক বাসিন্দা এখনো ঢাকার বাইরে থাকায় বাজারগুলোতে ক্রেতার উপস্থিতি কমেছে। এতে মাছ, মাংস ও সবজির বেচাকেনায় ভাটা পড়েছে। তবে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় কয়েক ধরনের সবজির দাম কিছুটা কমেছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে শিমের কেজি ১২০ টাকা, টমেটো ১৪০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং পটোল ও ঢ্যাঁড়শ ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁকরোলের কেজি ৮০ টাকা। বরবটি, ঝিঙা, লাউ, কচুমুখী ও লতি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। কাঁচা মরিচের দাম ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। নতুন ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি পিস ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং নতুন আলু ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে পুরোনো আলুর দাম কমে ২৫ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজের দাম কমে ৫০ টাকা কেজিতে নেমেছে।
মুরগির বাজারে ব্রয়লারের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা হয়েছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি দরে। ফার্মের বাদামি ডিমের ডজন ১৪০ টাকা এবং সাদা ডিমের ডজন ১৩০ টাকা। মাছের দাম মোটামুটি অপরিবর্তিত রয়েছে। দেড় থেকে দুই কেজি ওজনের রুই ৩৪০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৪০ টাকা এবং পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের দামেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই।
এদিকে, ভোজ্য তেলের বাজারে সয়াবিনের বোতলজাত তেলের সরবরাহ সংকট অব্যাহত রয়েছে। রাজধানীর কদমতলী সাদ্দাম মার্কেটের কয়েকজন খুচরা বিক্রেতার দাবি, দাম বাড়ার পরও কোম্পানিগুলো পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করছে না। পাশাপাশি বেশি দামে তেল কিনে বিক্রি করেও কাঙ্ক্ষিত লাভ থাকছে না। ফলে কোনো কোনো দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না। ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় তেল কিনতে একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে। অন্যদিকে, বিক্রেতাদের আশঙ্কা, পরিবহন ভাড়া ও জ্বালানির খরচ বেশি থাকলে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম আরও কমার সুফল পুরোপুরি ভোক্তারা নাও পেতে পারেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি